Constitution Amendment Bill:সংবিধান সংশোধনী বিল: বিরোধীরা ধাপে ধাপে বর্জন করল,কংগ্রেসে কেন্দ্রীভূত চাপ বাড়ল!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:সংবিধান সংশোধনী বিল (Constitution Amendment Bill) ঘিরে বিরোধিতার সুর আরও চড়াল আম আদমি পার্টি।তৃণমূল কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির পর এবার আপ জানাল,-সংসদীয় যৌথ কমিটি (জেপিসি)-তে তারা কোনও প্রতিনিধি পাঠাবে না।রবিবার এক ভিডিও বার্তায় আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং অভিযোগ করেন,এই বিলের উদ্দেশ্য দুর্নীতি রোধ নয়,বরং বিরোধী সরকারকে অস্থিতিশীল করা ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/08/24/rahul-gandhi-voter-rights-yatra-bihar-incident/

সঞ্জয় সিং বলেন,-“মোদি সরকার এক অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক বিল নিয়ে এসেছে।অবিজেপি রাজ্য সরকার ভাঙা,বিরোধী নেতাদের জেলে পোরা এবং সরকার কেনার উদ্দেশ্যেই এই বিল আনা হয়েছে।দুর্নীতির সঙ্গে বিজেপির রোমিও-জুলিয়েটের মতো সম্পর্ক।দেশের সমস্ত দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা এখন বিজেপিতে,আর দেশের সম্পদ তুলে দেওয়া হচ্ছে কর্পোরেটের হাতে।”এর আগে শনিবার তৃণমূল কংগ্রেস জানায়,-তারা সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে মিলে এই কমিটিতে কোনও সদস্য পাঠাবে না।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন,-“মোদি-শাহ জেপিসিকে প্রহসনে পরিণত করেছেন।”তাঁর দাবি,শাসক দলের সাংসদদের আধিক্যের জেরে কমিটির রিপোর্ট সর্বসম্মতিক্রমে নয়,ভোটাভুটির মাধ্যমে তৈরি হয়।বিরোধীদের গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বাদ দেওয়া হয়,আর তাঁদের মতামত কেবল ডিসেন্ট নোট হিসেবেই থেকে যায়।ফলে একের পর এক বিরোধী দল কমিটি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ায় সংসদীয় যৌথ কমিটি কার্যত চাপে পড়েছে।বিশেষ করে কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিরোধী দলগুলোর এই পর্যায়ক্রমিক বর্জন শুধু সংসদীয় যৌথ কমিটিকে চাপে ফেলে না, বরং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সংবিধান রক্ষার প্রক্রিয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা বলছেন, যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে কমিটি কার্যত অকার্যকর হয়ে যাবে এবং বিরোধীদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত ভোটাভুটির ফলাফলে বিবেচনা ছাড়া থেকে যাবে।

অন্যদিকে, কংগ্রেসের প্রতি কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক চাপ ক্রমশ বাড়ছে। দলটি কীভাবে এই জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে এবং সংবিধান সংশোধনী বিলের (Constitution Amendment Bill) বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখবে, তা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা হচ্ছে, বিরোধী দলগুলোর এই সমন্বিত বর্জন কি দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে নাকি আরও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।

সর্বশেষে, এই পরিস্থিতি দেশের নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকারের এই পদক্ষেপের প্রভাব শুধু সংবিধান সংশোধনী বা রাজনীতিকেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সাধারণ মানুষের আস্থা এবং দেশের সংবিধানিক কাঠামোর উপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। তাই সকলের নজর এখন কংগ্রেসের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিরোধী দলের সম্মিলিত অবস্থানের দিকে।