Supreme Court Tamil Nadu:রাজ্যপাল বিল আটকে রাখলে কি আদালত নীরব?রাষ্ট্রপতির বাধ্যবাধকতাও প্রশ্নের মুখে—সুপ্রিম কোর্ট!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল রাজ্যপাল যদি দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রাখেন বা কোনও সিদ্ধান্ত না নেন,তা হলে কি সুপ্রিম কোর্ট নীরব থাকবে!এই প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত,তামিলনাড়ুর (Supreme Court Tamil Nadu) রাজ্যপালের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/08/24/constitution-amendment-bill-pm-name-included-kiran-rijiju/

গত বৃহস্পতিবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বিআর গবই নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে কেন্দ্রের যুক্তিকে সমর্থন করা হলেও,রাজ্যপালের ‘কর্তব্য’ নিয়ে আদালত সতর্কভাবেই উল্লেখ করেছে যে,কোন রাজ্যপাল যদি বছরের পর বছর বিল আটকে রাখেন,তা গণতান্ত্রিক কাঠামোতে সমস্যার সৃষ্টি করবে।

শীর্ষ আদালতের দুই বিচারপতির বেঞ্চ এপ্রিল মাসে তামিলনাড়ুর (Supreme Court Tamil Nadu) রাজ্যপালের বিরুদ্ধে যে নির্দেশ দিয়েছিল,তাতে বলা হয়েছিল,রাজ্যপালকে একটি মাসের মধ্যে বিল ছাড়তে হবে এবং রাষ্ট্রপতিকে তিন মাসের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে হবে।পশ্চিমবঙ্গেও রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক বিল আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন,-রাজ্যপাল ও রাজ্যের মধ্যে দ্বন্দ্বজনিত অচলাবস্থা সমাধান রাজনৈতিকভাবে হওয়া উচিত। তিনি যুক্তি দেন,আদালত কোনও রাজ্যপালকে সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে না,তা হলে সংবিধানের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

তবে প্রধান বিচারপতি মনে করিয়ে দিয়েছেন,সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের রক্ষক।তাই কোনও রাজ্যপাল যদি রাজ্য সরকারের কাজকর্ম আটকে দেন,তা আদালত সহ্য করবে না।তবে বিচারবিভাগের সক্রিয়তা কখনও ‘জুডিশিয়াল টেরোরিজম’-এ পরিণত না হওয়া পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

বিষয়টি মূলত রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব,এবং সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ১৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে নিজেদের বিবেচনা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেবেন কি না,তা সম্পূর্ণ তাঁর সিদ্ধান্ত।