The Bengal Files: বাংলায় নিষিদ্ধ দ্য বেঙ্গল ফাইলস দেশজুড়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ায় তুঙ্গে বিতর্ক

পেজ 3 বিনোদন

নিউজ পোল ব্যুরো: বাংলায় মুক্তি পায়নি, কিন্তু দেশজুড়ে এখন হট টপিক হয়ে উঠেছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস (The Bengal Files)। বিবেক অগ্নিহোত্রীর এই সিনেমা নিয়ে চলছে প্রবল আলোচনা। কেউ একে বলছেন রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা (political propaganda), আবার কেউ দাবি করছেন এটি একেবারেই মাস্ট ওয়াচ।

আরও পড়ুন:Prajakta Kohli: নেপালের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, সফর বাতিল করে উদ্বেগ জানালেন অভিনেত্রী প্রাজক্তা কোলী

গল্পের পটভূমি ১৯৪৬ সালের কলকাতার ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে (Direct Action Day)। শিব পণ্ডিত ধর্মীয় দাঙ্গায় সবকিছু হারিয়েছে, আর ভারতী বন্দ্যোপাধ্যায় বয়ে বেড়াচ্ছে ১৯৯০ সালের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর অত্যাচারের ক্ষত। বর্তমানে এক কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাই তাঁদের জীবনকে নাড়িয়ে দেয় এবং সন্দেহের তীর ঘুরে যায় বিধায়ক সর্দার হুসেইনির দিকে।

সিনেমায় (The Bengal Files) অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, সৌরভ দাশসহ আরও অনেকে। কিন্তু দর্শকদের প্রতিক্রিয়া একেবারেই মিশ্র। সোশ্যাল মিডিয়া (social media) ঘাঁটলেই চোখে পড়ে কেউ সিনেমাটিকে শক্তিশালী বলে প্রশংসা করছেন, কেউ আবার বলছেন এটি শুধু মাত্র মেলোড্রামা (melodrama)।

একজন দর্শক লিখেছেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম সিনেমাটি খারাপ হবে, কিন্তু দেখে বুঝলাম আসলে এটি অনেক শক্তিশালী।” অপরদিকে আরেকজনের মন্তব্য, “দুর্বল চিত্রনাট্য, দুর্বল পরিচালনা এবং অতিরিক্ত চরিত্রের ভিড়ে সিনেমাটি ক্লান্তিকর হয়ে উঠেছে।” কেউ কেউ এটিকে ২০২৫ সালের সবচেয়ে হতাশাজনক সিনেমা বলে দাবি করেছেন।

তবে ইতিবাচক রিভিউও রয়েছে। একজন লিখেছেন, “আমি এটিকে ৪/৫ দেব। গান্ধীর আসল চরিত্র তুলে ধরা, ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে (Direct Action Day)-এর ভয়াবহতা দেখানো এবং ইতিহাসকে সামনে আনা অসাধারণ।” আরেকজন বলেছেন, “এটি একটি হার্ড-হিটিং ফিল্ম (hard-hitting film)। বিস্মৃত ইতিহাসকে পর্দায় ফেরানো হয়েছে।”

সব মিলিয়ে, দ্য বেঙ্গল ফাইলস (The Bengal Files) দর্শকদের ভেতর বিভাজন তৈরি করেছে। বাংলায় নিষিদ্ধ হলেও দেশজুড়ে এটি এখন আলোচনার কেন্দ্র, আর শেষ পর্যন্ত এর বক্স অফিস (box office) রেজাল্ট-ই নির্ধারণ করবে সিনেমার ভাগ্য।

সব মিলিয়ে বলা যায়, The Bengal Files শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং এক তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। কেউ একে হারানো ইতিহাসকে পর্দায় তোলার সাহসী প্রয়াস হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকেই এটিকে সরাসরি ‘political propaganda’ আখ্যা দিচ্ছেন। বাংলায় নিষিদ্ধ হলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দর্শকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের মতামত জানাচ্ছেন, আর সেখানেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে সিনেমাটির ভিন্ন ভিন্ন গ্রহণযোগ্যতা। শেষ পর্যন্ত এই ছবি বক্স অফিসে কতটা সফল হয়, তা সময়ই বলে দেবে, তবে বিতর্কের আঁচে এটি যে দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole