Gautam Adani : গুয়াহাটিতে জুবিন গর্গের বাড়িতে গৌতম আদানি ও পুত্র, গরিমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকপ্রকাশ

পেজ 3

নিউজ পোল ব্যুরো: ১৯ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হয়েছেন অসমের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গর্গ (Zubeen Garg Death)। তার অকাল প্রয়াণে গোটা দেশ ও বিনোদন দুনিয়া শোকে স্তব্ধ। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গীত ও সংস্কৃতির অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত জুবিনের চলে যাওয়া এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

গতকাল রাতে গুয়াহাটি (Guwahati) জুবিনের বাড়িতে উপস্থিত হন ধনকুবের শিল্পপতি গৌতম আদানি (Gautam Adani) এবং তার পুত্র জিৎ আদানি। শিল্পীর স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া গর্গ (Garima Saikia Garg) ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান আদানি পিতা-পুত্র। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, রাত প্রায় ৯টা নাগাদ তারা জুবিনের বাড়িতে পৌঁছান এবং আধ ঘণ্টা সময় কাটান। সেখানে গরিমার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং প্রয়াত শিল্পীর আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: Rani Mukerji-Durga Puja 2025: প্রিয়জনের অভাবে এবার মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজোতে নীরবতার মধ্যেও আবেগের ছোঁয়া

অসমের সাংস্কৃতিক আইকন (Assam Cultural Icon) হিসেবে পরিচিত জুবিন গর্গ শুধু গায়কই নন, ছিলেন সুরকার, অভিনেতা ও পরিচালকও। তার জনপ্রিয় গান এবং সঙ্গীতকর্ম শুধু অসমেই নয়, সমগ্র ভারতবর্ষেই শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিল। বিশেষত ভোজপুরি, বাংলা, হিন্দি ও আসামি একাধিক ভাষায় গান গেয়ে জুবিন বহু প্রজন্মের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, রবিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার ‘মন কি বাত’ (Mon Ki Baat) অনুষ্ঠানে জুবিনকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “জুবিন গর্গের অকাল প্রয়াণে গোটা দেশ শোকাহত। তিনি শুধু অসমের ভূমিপুত্র নন, ভারতীয় সংস্কৃতিরও উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার গান (Zubeen Garg Songs) আগামী প্রজন্মকে সমানভাবে মুগ্ধ করবে।” প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, জুবিনের সঙ্গে তার সংস্কৃতির গভীর সংযোগ ছিল এবং সেই কারণে তিনি সর্বদা স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গৌতম আদানি ও তার ছেলের জুবিনের বাড়ি পরিদর্শন নানা মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অসমের সাংস্কৃতিক আবেগ ও ব্যবসায়িক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের এই সাক্ষাৎকে অনেকেই বিশেষ তাৎপর্যের দৃষ্টিতে দেখছেন।জুবিন গর্গের মৃত্যু উত্তর-পূর্ব ভারতের সাংস্কৃতিক জগতে এক বিরাট ক্ষতি। তাঁর স্মৃতি, গান ও অবদান আগামী দিনে শ্রোতাদের কাছে অমর হয়ে থাকবে।