Web story: কালীপুজোর অন্যতম উপকরণ প্রদীপ

oftbeat অফবিট জেলা ব্যাবসা বানিজ্য

শ্যামল নন্দীঃ কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে … ।  না কেরোসিন লন্ঠন, না মাটির প্রদীপ–কেউ আর বাংলার মাটিতে তেমন একটা কল্কে পায়না। জলবিদ্যুৎ আর সোলার প্যানেল সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে। সারা বছর তাই কেরোসিন তেলের দোকান আর মাটির প্রদীপের দোকানগুলি এক অর্থে মাছি তাড়ায়। তবে গরজ বড় বালাই। তাই কালিপুজোর আগে মৃৎ শিল্পীদের নাওয়া খাওয়ার সময় নেই। কারণ চোদ্দ প্রদীপ আর দীপাবলির আলোক সজ্জায় বাংলার ঘরে ঘরে অপরিহার্য মাটির প্রদীপ। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই হাবড়ার মাটির কারিগরদের নাওয়া খাওয়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

[আরও পড়ুন]  http://জুবিন গর্গের মৃত্যু রহস্যে নতুন মোড়
মাস দুই ধরে কার্যত চলবে এই কাজের ধারা। পুজো মিটে গেলেই আবার যে কে সেই ইলেকট্রিকের সুইচ টেপা আলোর রোশনাই। তবু আপাতত প্রদীপ তৈরির কারখানায় শিল্পীদের নাওয়া খাওয়া বন্ধ। মাঝে আর মাত্র কয়েকটা দিন সামনেই আসছে আলোর উৎসব দীপাবলি। তার আগে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার একটি প্রদীপ তৈরির কারখানায় ঢুঁ মেরে দেখা গেল সেখানে কর্মীদের কর্মব্যস্ততা রয়েছে তুঙ্গে। প্রতিদিন হাজার হাজার প্রদীপ তৈরি হচ্ছে এই সমস্ত কারখানায় । কিছু প্রদীপ তৈরি হচ্ছে হাতে আবার কিছু প্রদীপ মেশিনের সাহায্যে তৈরি করা হচ্ছে । দীপাবলীর আগে যেগুলো ছড়িয়ে পড়বে বিভিন্ন বাজারে। আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজারে মিলছে ইলেকট্রিক প্রদীপ তবে মাটির প্রদীপের চাহিদা একই রকম রয়েছে জানালেন এই কাজের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীরা। বিভিন্ন মন্দির বা বাড়িতে দীপাবলীতে প্রদীপ জ্বালানোর প্রচলন রয়েছে আর তাই প্রদীপের চাহিদাও রয়েছে যথেষ্ট। পুরুষদের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ির মহিলারাও হাতে হাত মিলিয়ে প্রদীপ তৈরি করছে । তাতে একদিকে যেমন বাজারের চাহিদা অনুযায়ী জোগান দেওয়া যাবে, তেমনি সেই সুযোগে ঘরে আসবে কিছু বাড়তি রোজগার। বেশি কথা বলার তাই সময় নেই মাটি কারিগরদের। এখন চলছে শুধু হাত । দেবী দুর্গার মত বাংলার ঘরে ঘরে এই শিল্পী মায়েদেরও দশ হাত থাকলে ভাল হত!