নিউজ পোল ব্যুরো: রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বাংলার মাটির সঙ্গে নিজের একাত্মতা গড়ে তুলেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor C.V. Ananda Bose)। রাজভবনের কর্মকাণ্ডে একাধিকবার নতুনত্ব এনে তিনি প্রমাণ করেছেন যে রাজ্যপাল শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদ নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানো এক মানবিক মুখও হতে পারেন। চলতি নভেম্বরেই রাজ্যপাল হিসেবে তার তিন বছর পূর্ণ হচ্ছে (third anniversary as Governor of West Bengal)। আর সেই উপলক্ষে রাজভবনে (Raj Bhavan Kolkata) আয়োজন করা হচ্ছে এক অনন্য সামাজিক উদ্যোগ গণবিবাহ (mass marriage programme)।
রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৩ নভেম্বর রাজ্যপালের অভিভাবকত্বে ও তত্ত্বাবধানে ১০০ জন দুস্থ ও পিছিয়ে পড়া যুবক-যুবতীর বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে (100 couples’ wedding ceremony)। এই বিশেষ দিনে রাজ্যপাল নিজেই দায়িত্ব নেবেন অনুষ্ঠানটির পুরো আয়োজনের (wedding arrangements) এবং সমস্ত খরচ রাজভবনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। নবদম্পতিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে প্রতীকী উপহার (symbolic gifts for couples), আর প্রত্যেক পরিবারের সর্বাধিক ১০ জন করে অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন অনুষ্ঠানে। ইতিমধ্যে রাজভবনের তরফে আবেদন প্রক্রিয়াও (application process) শুরু হয়ে গিয়েছে। আগ্রহী পাত্র-পাত্রীরা ১৬ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন জানাতে পারবেন। আবেদনপত্রে (application form) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে পাত্র-পাত্রীর নাম, অভিভাবকের নাম, ঠিকানা, বয়সের প্রমাণপত্র (age proof), আধার নম্বর (Aadhaar number), পেশা (occupation), ও পরিবারের বাৎসরিক আয় (annual income)। এর পাশাপাশি বিয়েতে অভিভাবকদের অনুমতি সম্বলিত স্বাক্ষর (consent letter) এবং যদি বিয়ের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে থাকে, তার প্রমাণপত্রও দিতে হবে। সব নথি স্থানীয় গেজেটেড অফিসার (gazetted officer) দ্বারা স্বাক্ষরিত হলে তবেই তা গৃহীত হবে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
আবেদনপত্র পাঠানো যাবে রাজভবনের নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় (email submission) peaceroomrajbhavan@gmail.com এবং generalcellgs@gmail.com। এছাড়াও ডাকযোগে (by post) বা সরাসরি রাজভবনে গিয়েও আবেদন জমা দেওয়া যাবে। রাজভবনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যপাল চেয়েছিলেন তার তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে (third year in office) জনতার সঙ্গে যুক্ত থেকে কোনও বাস্তব ও ইতিবাচক কাজ করতে। তাই তিনি এই গণবিবাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রতি এক হৃদয়গ্রাহী বার্তা “রাজভবন মানুষের জন্যও খোলা দরজা।”
