Humayun Kabir SIR remark:‘ভাগাড়ের শকুনের মতো ছুটছে দুই দল’ তৃণমূল-বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা করলেন হুমায়ুন কবীর!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:রাজ্যে এসআইআর আতঙ্কে বাড়তে থাকা মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে ফের উত্তাল রাজনীতি। এবার তৃণমূল-বিজেপি—দুই শিবিরকেই একসঙ্গে নিশানা করলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ নেতা হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir SIR remark)। তাঁর তীব্র কটাক্ষ, “ভাগাড়ের শকুন যেমন মরা গরু খুঁজে বেড়ায়, তেমনই বিজেপি আর তৃণমূল এখন খুঁজে বেড়াচ্ছে কে গলায় দড়ি দিয়েছেন, কে আত্মঘাতী হয়েছেন।”

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/11/09/winter-session-2025-parliament-bihar-results-sir-controversy-politics/

হুমায়ুনের (Humayun Kabir SIR remark) অভিযোগ, “কে কোথায় মারা গেলেই ওরা দলবল নিয়ে ছুটছে। অথচ, মানুষ যখন এসআইআরের ক্যাম্প অফিসে সাহায্যের জন্য ফোন করছে, তখন কেউ সাড়া দিচ্ছে না। মৃত্যুতে রাজনীতি করা ছাড়া কিছুই করছে না এই দুই দল।”

রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া ঘোষণার পর থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে সর্বত্র। আত্মহত্যা ও অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর মিলছে একের পর এক। মৃতদের পরিবারের দাবি—এসআইআর নিয়ে ভয় ও বিভ্রান্তিই এই মৃত্যুর মূল কারণ।

এই পরিস্থিতিতে সরাসরি মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে গঠন করা হয়েছে বিশেষ সহায়তা টিম, যা শনিবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ শুরু করবে। লক্ষ্য—এসআইআর আতঙ্কে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

দলের সূত্রে খবর, প্রথম পর্যায়ে টিম সদস্যরা টিটাগড়, ডানকুনি, হুগলি, উলুবেড়িয়া ও প্রদীপ করের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। তাঁদের বক্তব্য শুনে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে দল। অভিষেকের ঘনিষ্ঠ মহল জানাচ্ছে, “এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তৃণমূল তাঁদের পাশে আছে এবং থাকবে।”

রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, তৃণমূল এই পদক্ষেপের মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জেরে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তার মোকাবিলায় দল সরাসরি মানুষের পাশে দাঁড়াবে।

এদিকে শুক্রবার জলপাইগুড়ি, চুঁচুড়া ও কাকদ্বীপ মিলিয়ে এসআইআর আতঙ্কে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর এসেছে। মৃতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন মহিলা। দু’জন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এবং দু’জন গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

শাসকদল তৃণমূল এই মৃত্যুগুলির জন্য এসআইআর আতঙ্ককেই দায়ী করছে, অন্যদিকে বিজেপির দাবি—“স্বাভাবিক মৃত্যু এবং পারিবারিক অশান্তিতেও রাজনীতি করছে তৃণমূল।”বাড়তে থাকা মৃত্যু আর তার রাজনীতিকরণ—দুই-ই এখন রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।