নিউজ পোল ব্যুরো: সোমবার হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায় রবীন্দ্র জাদেজার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। তা নিয়ে যখন হৈচৈ চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, তখন আরও এক সিএসকে ক্রিকেটার মাথিশা পাতিরানারও ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট উধাও হয়ে যায়। এই দুই ক্রিকেটারকেই সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে ট্রেডে চেয়েছিল রাজস্থান। দুজনেরই সিএসকে ছারার গুঞ্জন চলছে। এর মধ্যে তাদের দুজনেরই ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট উধাও হওয়া বেশ ধোয়াশার সৃষ্টি করেছে।
আরও পড়ুন:India vs South Africa test match: শহর আবার ক্রিকেটময়, বক্স অফিসে লম্বা লাইন
নেটিজেনদের অনেকেই মনে করছেন, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে জল্পনা চলছে সেই চাপ এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। আবার অনেকে মনে করেন আইপিএল ট্রেড উইন্ডো খোলার আগে খেলোয়াড় এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে আলোচনা সম্ভবত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এই সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে কেউই এখনও মুখ খোলেননি।

জাদেজাকে নিয়ে বেশ কয়েদি৷ ধরেই জল্পনা চলছিল। এই খবর ছড়াতেই অস্থির চেন্নাই সমর্থকরা। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন, ‘জাদেজা ছাড়া সিএসকে ভাবাই যায় না!’ কারও বক্তব্য, ‘জাদেজা গেলে দল তার আত্মা হারাবে।’ যদিও প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের (Mohammad Kaif) বক্তব্য, ধোনি যদি দলের স্বার্থে প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে জাদেজাকে ছাড়তে দ্বিধা রাখবেন না। তাঁর ভাষায়, ‘যদি জাদেজাকে ছেড়ে দিতেই হয় দলের ভালোর জন্য, ধোনি সেটা করবেই। বন্ধুত্ব বা সম্পর্কের ঊর্ধে ওর কাছে সবসময় টিমের জয়টাই আগে।’
জাদেজা দীর্ঘদিন ধরে চেন্নাইয়ের অন্যতম মুখ। জিতেছেন ২০১৮, ২০২১ আর ২০২৩ সালের তিনটি আইপিএল (IPL) খেতাব। এমনকি ২০২২ সালে কয়েকটি ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার শোনা যাচ্ছে, আইপিএলের মহানিলাম শুরুর আগেই চেন্নাই সেরে ফেলেছে বড়সড় ট্রান্সফার চুক্তি—রবীন্দ্র জাদেজার বদলে রাজস্থান রয়্যালসের (Rajasthan Royals) অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson) আসতে পারেন এম. এ. চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে!
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
উল্লেখ্য, জাদেজা আইপিএলের প্রথম মরসুমেই রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে মাঠে নেমে শেন ওয়ার্নের অধিনায়কত্বে প্রথম শিরোপা জেতা দলের সদস্য। ১৬ বছর পর আবার সেই শিবিরে ফেরা মানে একরকম বৃত্তপূরণ! চেন্নাইয়ের হয়ে এত সাফল্যের পর হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল গায়েব হওয়া যে নিছক কাকতালীয় নয়, তা অনেকেই মনে করছেন। আপাতত চুক্তি থাকা কিংবা ভাঙা নিয়ে সরকারি ঘোষণা না এলেও, জল্পনা তুঙ্গে।
