Nandigram political tension:নন্দীগ্রামে অভিষেক? ‘উপমুখ্যমন্ত্রীর লোভ’—সুকান্তের মন্তব্যে ফিরল রাজনৈতিক ভূমিকম্প!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:বিধানসভা নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই ফের নন্দীগ্রামকে (Nandigram political tension) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তুঙ্গে চাপানউতর। প্রশ্ন উঠছে—তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি এ বার সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি নন্দীগ্রাম থেকেই ভোটে নামতে পারেন? বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, তাঁর কাছে “নিশ্চিত খবর” আছে যে অভিষেক নন্দীগ্রাম থেকেই প্রার্থী হতে চলেছেন। তাঁর অভিযোগ, “উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার শখ থেকেই অভিষেক নন্দীগ্রামে লড়তে চাইছেন। তাই নিজের ঘনিষ্ঠ পুলিশ কর্তার বদলি চলছে সেই জেলায়।”

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/11/30/sir-kolkata-municipality-special-camp-birth-death-certificate-demand/

পরে অবশ্য মন্তব্যে কিছুটা পরিবর্তন এনে সুকান্ত বলেন—“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানেই দাঁড়াবেন, আমরা সেখানেই তাঁকে হারাব।” অন্যদিকে নন্দীগ্রামের (Nandigram political tension) বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর তির্যক মন্তব্য—“ও এখানে দাঁড়ালেও ভোট পাবে না।”

তৃণমূল অবশ্য এই দাবি উড়িয়ে কটাক্ষ করেছে। দলের বক্তব্য, লোকসভা ভোটের পর থেকেই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অপছন্দের তালিকায় শুভেন্দু। নন্দীগ্রামে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল জিতেছে। সেক্ষেত্রে এখানকার আসন রক্ষা করাই শুভেন্দুর বড় চ্যালেঞ্জ—অভিষেক বা মমতার প্রয়োজন নেই, একজন বুথস্তরের তৃণমূল প্রার্থীও জিততে পারেন বলেই দলের দাবি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সুকান্তর মন্তব্যে নতুন করে উস্কে উঠেছে জল্পনা। কারণ অতীতেও এর নজির রয়েছে—২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য ভবানীপুরে উপনির্বাচনে লড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দুও একসময় সাংসদ পদ ছেড়ে মন্ত্রিত্ব নিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই প্রশ্ন উঠছে—অভিষেক কি নন্দীগ্রামকে বেছে নিতে পারেন?

এদিকে নির্বাচনী দফতরকে ঘিরেও বিতর্ক বাড়াচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক্স-এ তিনি অভিযোগ করেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে “বেছে বেছে তথ্য ফাঁস” করছে, যা জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা। তাঁর কথায়, “যদি লুকোনোর কিছু না থাকে, তবে দাবি করা সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও নথি প্রকাশ্যে আনুক—এক মুহূর্ত দেরি নয়। তা না হলে তাদের অসৎ উদ্দেশ্যই প্রকাশ পাবে।” বিধানসভা ভোটের আগমুহূর্তে নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে এই রাজনৈতিক দোলাচল আরও তীব্র হওয়ারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।