Acne Problem: চিপস-বার্গার নয়, রোজকার প্লেটেই লুকিয়ে ব্রণের কারণ!

লাইফস্টাইল

নিউজ পোল ব্যুরো: ব্রণ (Acne Problem) শুধু সৌন্দর্য নষ্ট করে না, তৈরি করে অস্বস্তি, ব্যথা এবং সংক্রমণের ঝুঁকি। অনেকেই নিয়মিত পরিচর্যা, ওষুধ বা ত্বকচর্চা করেও ব্রণ কমাতে পারেন না। কারণ ব্রণের নেপথ্যে থাকে নানা অভ্যন্তরীণ সমস্যা— যেমন হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, পেটের গোলমাল, কিংবা অতিরিক্ত স্ট্রেস। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেন না যে, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকাতেই এমন কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলি নীরবে ব্রণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিপ্স, বার্গার, পিৎজ়ার মতো জাঙ্ক ফুডের কথা আমরা জানি। কিন্তু রোজকার খাবারেও লুকিয়ে রয়েছে ত্বকের শত্রু।

 

আরও পড়ুন: Skin Care: “পুজোর সাজ নষ্ট করবে না Pimples—ব্রণ রুখতে ৪টি সহজ উপায়”

 

দুগ্ধজাত খাবার

 

দুধ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দুগ্ধজাত খাবার ব্রণ বাড়াতে পারে। ঘি, মাখন, পনির বা চিজ়— এগুলিতে থাকা ফ্যাট কখনও কখনও পেটের সমস্যা ও হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। এর ফলে ত্বক অতিরিক্ত তেল উৎপাদন শুরু করে, যা ব্রণ বাড়াতে ভূমিকা রাখে। তাই ব্রণের সমস্যা (Acne Problem) বেশি হলে দুগ্ধজাত খাবার পরিমিত খাবাই ভাল।

 

অতিরিক্ত নুন

 

নুন ছাড়া খাবারের স্বাদ ফিকে হলেও, অতিরিক্ত নুন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। চিপ্স, ফ্রোজেন খাবার, কৌটোবন্দি স্ন্যাকস, প্যাকেটজাত ভাজাভুজি— এ ধরনের খাবারে অনেক বেশি নুন থাকে। অতিরিক্ত নুন শরীরকে ডিহাইড্রেট করে এবং হরমোনে প্রভাব ফেলে, যা পরোক্ষভাবে ব্রণ বাড়াতে পারে। তাই নোনতা স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস কমালেই ত্বক অনেকটাই ভালো থাকে।

 

প্রক্রিয়াজাত মাংস

 

বেকন, সসেজ বা অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত মাংসে থাকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এটি শরীরে প্রদাহ বাড়ায়, যা ব্রণের একটি বড় কারণ। এসব খাবার প্রতিদিন নয়— সপ্তাহে এক বা দুই দিন খাওয়া যেতে পারে। নিয়মিত খেলে ত্বকের সমস্যা বাড়তে বাধ্য।

 

চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার

 

মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ অনেকেরই। কিন্তু চিনি হলো ‘এম্পটি ক্যালোরি’— এতে শক্তি ছাড়া পুষ্টিগুণ নেই। অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে শরীরে অম্বল, প্রদাহ এবং ইনসুলিনের ব্যাঘাত দেখা দেয়। এগুলোর প্রভাব সরাসরি ত্বকে পড়ে। সপ্তাহে এক দিন বা ২-৩ দিন অন্তর সামান্য মিষ্টি খাওয়া যেতে পারে, তার বেশি নয়।

 

ভাজাভুজি ও জাঙ্ক ফুড

 

শিঙাড়া, চিপ্স, তেলেভাজা, পিৎজ়া— এগুলিতে ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে ত্বকে তেল নিঃসরণ বৃদ্ধি পায় এবং ব্রণ দেখা দেয়। সপ্তাহে একবার খাওয়া যেতে পারে, তবে নিয়মিত খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole