Arijit Singh: অবসরের ঘোষণার পরও অক্ষয়ের ছবিতে কণ্ঠ! নিজেই কি অনুরোধ করেছিলেন অরিজিৎ?

পেজ 3

নিউজ পোল ব্যুরো: শুধু তাই নয়, ঘনিষ্ঠ মহলে অরিজিৎ (Arijit Singh) নাকি জানিয়েছেন, কিছু বিশেষ গল্প বা নির্মাতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ এলে তিনি সম্পূর্ণভাবে নিজেকে সরিয়ে রাখতে পারেন না। প্রিয়দর্শনের মতো পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা তাঁর বহু দিনের, আর সেই কারণেই ‘ভূত বাংলা’ ছবির একটি গানের জন্য তিনি নিজে থেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বলে খবর। নির্মাতারাও এই প্রস্তাবে সাড়া দেন, কারণ ছবির আবহ ও অনুভূতির সঙ্গে অরিজিতের কণ্ঠই সবচেয়ে বেশি মানানসই বলে মনে করা হয়েছিল। ফলে অবসর ঘোষণার পরেও বেছে বেছে কিছু প্রোজেক্টে তাঁর কণ্ঠ শোনা যাচ্ছে, যা ভক্তদের কাছে যেমন চমক, তেমনই স্বস্তিরও

আরও পড়ুন:Amitabh Bachchan: কেবিসির শেষ দিনের শ্যুটে আবেগে ভাসলেন অমিতাভ বচ্চন, ফিরবেন কি পরের সিজনে?

খবরটি সামনে আসতেই বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা। একাংশের মতে, অরিজিৎ সিংহের (Arijit Singh) মতো শিল্পীর পক্ষে সম্পূর্ণভাবে প্লেব্যাক থেকে সরে আসা সহজ নয়, বিশেষ করে যখন গান, সুরকার এবং ছবির আবহ সবকিছু মিলিয়ে তাঁর শিল্পীসত্তাকে নাড়া দেয়। ‘ভূত বাংলা’ ছবির ক্ষেত্রে ঠিক তেমনটাই ঘটেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, গানটির সুর ও কথার প্রথম খসড়া শোনার পরই অরিজিৎ নাকি নির্মাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং জানান, এই গানে নিজের কণ্ঠ দিতে তিনি আগ্রহী। তাঁর মতে, গানটির আবেগ, রোম্যান্টিকতার সূক্ষ্মতা এবং চরিত্রের মানসিক অবস্থার যে প্রকাশ, তা ফুটিয়ে তুলতে তিনি (Arijit Singh) নিজেকে উপযুক্ত মনে করেছিলেন।
অন্য দিকে, বলিউডের অন্দরমহলে শোনা যাচ্ছে, সুরকার প্রীতমের সঙ্গে অরিজিতের বহু দিনের কাজের সম্পর্ক এবং পারস্পরিক আস্থা এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা নিয়েছে। ‘তু হি দিসদা’ গানটির সুর তৈরির সময় থেকেই প্রীতম নাকি মনে করেছিলেন, এই গানে অরিজিতের (Arijit Singh) কণ্ঠই সবচেয়ে বেশি মানাবে। ফলে গায়ক নিজে থেকে আগ্রহ দেখানোয় নির্মাতাদের আর আলাদা করে রাজি করানোর প্রয়োজন পড়েনি। যদিও প্রকাশ্যে কেউই বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি, তবু ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, শিল্পী হিসেবে গানটির সঙ্গে যে আবেগগত যোগসূত্র তৈরি হয়েছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত অবসর ঘোষণার পরেও অরিজিতকে আবার স্টুডিওতে ফিরিয়ে এনেছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole