Lakshmir Bhandar : বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে নতুনভাবে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’!

কলকাতা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: রাজ্যে নির্বাচনী আবহ ক্রমশ জোরদার হচ্ছে, আর তার সঙ্গেই বাড়ছে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা। অতীতের মতো এবারও শাসক দল তাদের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরছে ভাতা ও আর্থিক সহায়তার প্রকল্পগুলি (Government Schemes)। ২০২১ সালে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেন বহুল আলোচিত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar Scheme), যা দ্রুতই রাজ্যের মহিলাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক উপভোক্তা মাসিক আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন।

আরও পড়ুন: Election Commission 2026 : ভোটের আগে বড় ঘোষণা! নির্বাচন দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বাড়ল ভাতা , জেনে নিন কে কত টাকা পাবেন

গত কয়েক বছরে বিভিন্ন জেলায় ক্যাম্প (Application Camp) করে এই প্রকল্পে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যে বিদ্যমান অন্যান্য প্রকল্প যেমন বিধবা ভাতা (Widow Pension), বার্ধক্য ভাতা (Old Age Pension), কন্যাশ্রী (Kanyashree Scheme) এবং যুবশ্রী (Yuvashree Scheme) ইতিমধ্যেই বহু মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সম্প্রতি সরকার আরও এক ধাপ এগিয়ে কর্মহীন যুবক-যুবতীদের জন্য চালু করেছে নতুন প্রকল্প যুবসাথী (Yubasathi Scheme), যার আওতায় মাসিক ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে শাসক দল তাদের ইস্তেহারে (Election Manifesto) স্পষ্ট করেছে যে, এই সমস্ত প্রকল্প ভবিষ্যতেও চালু থাকবে এবং প্রয়োজনে আরও সম্প্রসারণ করা হবে। তবে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে বিরোধী শিবিরের সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

গুঞ্জন রয়েছে, বিজেপি (BJP West Bengal) রাজ্যে ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে নতুনভাবে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ (Annapurna Bhandar Scheme) নামে চালু করতে পারে এবং ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে। একইভাবে বেকার যুবকদের জন্য ‘যুবশক্তি’ (Yuvashakti Scheme) নামে একটি নতুন ভাতা প্রকল্প আনার কথাও শোনা যাচ্ছে, যেখানে মাসিক ৩০০০ টাকা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের প্রতিশ্রুতি ভোটের আগে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যদি এই পরিকল্পনাগুলি বাস্তবে রূপ পায়, তাহলে তা রাজ্যের নির্বাচনী রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে এবং ভোটারদের সিদ্ধান্তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।