নিউজ পোল ব্যুরো: টোটো ও ই-রিকশা রেজিস্ট্রেশনের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় এবং লাগাতার পুলিশি হেনস্তার অভিযোগে পথে নামলেন শতাধিক চালক (Toto Protest)। রবিবার সকাল থেকেই দমদম ক্যান্টনমেন্ট হেলথ মাঠে জমায়েত হন টোটো ও ই-রিকশা চালকরা (Toto Protest)। সারিবদ্ধভাবে রাখা অসংখ্য টোটো ও ই-রিকশা নিয়ে শুরু হয় জোরদার বিক্ষোভ (Toto Protest)। চালকদের ক্ষোভ— এককালীন রেজিস্ট্রেশনের পরেও প্রতি বছর বিমা, পলিউশন সার্টিফিকেট, রিনিউয়াল ফি, ট্যাক্স-সহ নানা খাতে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হচ্ছে, যা দরিদ্র চালকদের পক্ষে বহন করা কার্যত অসম্ভব।
বিক্ষোভরত চালকদের অভিযোগ, এই অর্থ আদায়ের পুরো প্রক্রিয়ায় চরম অস্বচ্ছতা রয়েছে। কোন খাতে কত টাকা নেওয়া হচ্ছে, তা তারা পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারছেন না। এই সুযোগে সক্রিয় হয়েছে দালালচক্র। চালকদের দাবি, দালালদের মাধ্যমে টাকা জমা দিলেও অনেক ক্ষেত্রে তার বৈধ বিল বা রসিদ পাওয়া যাচ্ছে না (Toto Protest)। ফলে তারা প্রতারিত হচ্ছেন বলেই অভিযোগ। চালকদের একাংশ সরাসরি মোটর ভেহিকল (RTO) দপ্তরের দিকেও আঙুল তুলেছেন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
শুধু আর্থিক চাপই নয়, দৈনন্দিন রুটেও চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন টোটো চালকরা (Toto Protest)। তাদের দাবি, যাত্রী নিয়ে ভিআইপি রোড বা যশোর রোডের মতো ব্যস্ত সড়কে উঠলেই অনেক সময় পুলিশ অকারণে হেনস্তা করে, জরিমানা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। এতে রোজগারে বড়সড় ধাক্কা লাগছে বলেও দাবি চালকদের (Toto Protest)। এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য তারা রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। রাজ্য সরকারের নতুন টোটো রেজিস্ট্রেশন নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ শুধু কলকাতাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের রাজগঞ্জে বিডিও অফিস ঘেরাও করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান ই-রিকশা চালক ইউনিয়নের সিআইটিইউ কর্মীরা (Toto Protest)। টানা স্লোগানে বিঘ্নিত হয় প্রশাসনিক কাজ। ওই আন্দোলনে আইএনটিটিইউসি সদস্যরাও সামিল হন। চালকদের স্পষ্ট দাবি— অবিলম্বে নতুন রেজিস্ট্রেশন নীতি পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং পুলিশি হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
