নিউজ পোল ব্যুরো: নন্দীগ্রাম (Nandigram) এবার রাজ্যের বিধানসভা (Assembly Election) নির্বাচনের নতুন হটস্পট হিসেবে মনোনীত হয়েছে। এই নির্বাচনে ভূমিপুত্র পবিত্র করের (TMC) সঙ্গে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর (Shuvendu Adhikari) লড়াই সরাসরি জমেছে। বুধবার নন্দীগ্রামের (Nandigram) মাটিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এক বড় কর্মিসভা করে তোপ দাগেন শুভেন্দুর (Shuvendu Adhikari) বিরুদ্ধে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) বলেন, “একুশের বিধানসভা নির্বাচনে আমরা ভালো ফল পাইনি। এবার আরও দৃঢ়ভাবে কাজ করতে হবে এবং দলের শক্তি বাড়াতে হবে।” তিনি দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে সতর্ক করে বলেন, “যদি আপনার ছেলেমেয়েরা রাজনীতিতে আসে, তখন ভাবুন কেমন লাগবে, যখন আপনার নাম গদ্দার হিসেবে উচ্চারিত হবে।”
তিনি আরও (Abhishek Banerjee) বলেন, “এটা নন্দীগ্রামের মাটিকে পবিত্র করার লড়াই। পবিত্র করকে জেতান। ভয় পাবেন না। আমি আছি এবং প্রয়োজনে দু-তিনবার আবার আসব। প্রতিপক্ষকে তার ভাষাতেই জবাব দিতে হবে। এক ইঞ্চি জমি ছাড়া যাবে না। ২৫ দিন চাইছি। লড়ুন এবং দায়িত্ব নিন।” গত ১৭ মার্চ তৃণমূল প্রার্থী তালিকা প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা আগে পবিত্র কর তৃণমূলে যোগ দেন। একসময় নন্দীগ্রামের (Nandigram) বয়াল ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান ও বিজেপি নেতা ছিলেন পবিত্র কর। এবার তাকেই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
অভিষেক (Abhishek Banerjee) আরও তোপ দাগেন, “এখানকার বিধায়ক কোথায় আছেন? কতজনের বাড়িতে রিপোর্ট কার্ড পৌঁছেছে? নিজেই রিপোর্ট কার্ড দিন।” তিনি আশ্বাস দেন, “ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) যেখানে করেছি, নন্দীগ্রামেও সেরকমই করব। প্রতি পঞ্চায়েতে ‘সেবাশ্রয়’ হবে। বার্ধক্য ভাতার আবেদনকারী সবাই পাবেন। পবিত্র জিতলে কাজের গতি ডাবল হবে। নন্দীগ্রামকে পাঁচ কিলোমিটার স্পিডে নয়, ১২০ কিলোমিটার স্পিডে উন্নয়ন করতে হবে।” তিনি নিশ্চিত করেন, “যেখানে আমাদের বিভাগ নেই, তাতেও উন্নয়ন হবে। আমার বিশ্বাস তৃণমূল জিতবেই। নন্দীগ্রামে জিতে, দিল্লিতে (Delhi) দলের শক্তি দৃঢ় হবে, যা আর হতে দেবেন না।” সম্প্রতি ডায়মন্ড হারবারের মতো নন্দীগ্রামে ‘সেবাশ্রয়’ ক্যাম্পে বিপুল সাড়া মিলেছে। এই নির্বাচনী প্রচারে স্পষ্ট হয়েছে, তৃণমূলের লক্ষ্য নন্দীগ্রামে পুনরায় শক্ত অবস্থান তৈরি করা এবং স্থানীয়দের মধ্যে তৃণমূলের ভাবমূর্তি শক্তিশালী করা।
