নিউজ পোল ব্যুরো: রাতে ঘুম না আসার সমস্যায় (Sleep Tips) ভুগছেন বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ। প্রতিটি মানুষের দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিৎ। কিন্তু রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানোর পর সকালে উঠে চনমনে ভাব লাগা এবং এনার্জির সাথে নতুন করে কাজ শুরু করা যেন এখন মানুষের কাছে স্বপ্ন। এর পেছনে যদিও বড় ভূমিকা আছে স্ট্রেস এবং মোবাইল ফোন।
আরও পড়ুন: Sleep Apnea: নাক ডাকা নয়, বড় বিপদের ইঙ্গিত! স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন তরুণরাই
কেউ কেউ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাচ্ছেন, কেউ আবার সারারাত জেগেই কাটিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু ঘুমের সমস্যা (Sleep Tips) মিটছেনা কিছুতেই। এর ছাপ পড়ছে ব্যক্তিগত জীবনে এবং পেশাগত জীবনে। খিটখিটে স্বভাবের জন্য মানুষের থেকে নানা কথা শুনতে হচ্ছে। কিন্তু এর থেকে মুক্তির উপায় কী নেই? আশ্বাস দিলেন আলিয়া ভট্ট এবং কপূরের পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবেকর।
রুজুতা দিবেকর বলছেন, তিনি নিজে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাথার কাছে ৪টি জিনিস রেখে ঘুমাতে যান। একটি থালায় তিনি দু’টি ছোট বাটিতে ঘি ও মিছরি, জলের ঘটি, গ্লাস এবং কাচের শিশিতে রাজগিরার লাড্ডু রাখেন। তার ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রতিটি উপকরণের উপকারিতা ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। ক্যাপশনে রুজুতা লিখেছেন, ‘‘বিছানায় এপাশ-ওপাশ করছেন? রাত ৩টে নাগাদ ঘুম ভেঙে যাচ্ছে? ভেঙে যাওয়া ঘুম ডেকে আনা কঠিন মনে হচ্ছে? সঙ্গে পায়ে টান, শুষ্ক গলা আর কাশির চোটে সারারাত জেগে রয়েছেন? তা হলে রাতে বিছানার পাশে এই ট্রে রাখা দরকার।’’
১. জল: ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাথার কাছে জল রাখা অবশ্যই দরকার। ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করে গলা শুকিয়ে এলে হাতের কাছে জল না পেলে আবার বিছানা থেকে নেমে জল নিতে হয়। অনেকসময় এই কারণে ঘুম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আবার অনেকে আছেন বিছানা থেকে নামতে হবে বলে জল না খেয়েই ঘুমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়না। তৃষ্ণার কারণে শরীরে অস্বস্তি হতে থাকে এবং অনেকসময় হাতে পায়ে টান ধরতে পারে। তাই মাথার কাছে জল রাখা অবশ্যই প্রয়োজন।
২. ঘি: ঘি আমাদের শরীরকে মানসিক ও শারীরিক আরাম দেয়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ের তলায় ঘি মালিশ করে শুলে তা আমাদের স্নায়ুকে শান্ত করে। এছাড়াও নাক ও কান এক ফোঁটা করে ঘি দিয়ে ঘড়ির কাঁটার দিকে মালিশ করলে নাক বন্ধ হওয়ার মত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। প্রাচীনকাল থেকেই এই প্রথা প্রচলিত আছে।
৩. মিছরি: ঘুমানোর আগে হালকা মিষ্টি স্বাদ আমাদের মানসিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। আবার ঘুমানোর সময় কাশি হলে আরাম পেতে মুখ দুই টুকরো মিছরি দেওয়া যেতে পারে। এতে গলার আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং এদের ঘুম ভালো হয়। তবে সবকিছুরই একটি নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। অতিরিক্ত পরিমাণে মিছরি খেলে আবার তা ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
৪. লাড্ডু: রাতে অনেকসময় খিদের জ্বালায় ঘুম ভেঙে যায় । এই সময় অস্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে না তাকিয়ে খেতে পারেন রাজগিরার লাড্ডু। এই লাড্ডু যেমন পুষ্টিকর তেমনই সুস্বাদু। এটি ঘুম আনতেও সাহায্য করবে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole
