নিউজ পোল ব্যুরো: রাজ্যের বিদায়ী দমকলমন্ত্রী, দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহচর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর (Mamata Banerjee) ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত সুজিত বসু (Sujit Basu) এবার বিধাননগর কেন্দ্রে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। ভোটগণনার একেবারে শুরুতেই চিত্রটা খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না তৃণমূল শিবিরের জন্য। দ্বিতীয় রাউন্ডের গণনা শেষে দেখা যায়, তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু (Sujit Basu) প্রায় ৩০০০ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন। এই কেন্দ্রে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন বিজেপির প্রার্থী ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত হলেও শুরুতে তিনি শক্ত লড়াই দিচ্ছিলেন। দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত তারই এগিয়ে থাকার ছবি উঠে আসে। এতে রাজনৈতিক মহলে কিছুটা চমক তৈরি হয়েছিল, কারণ সুজিত বসুকে (Sujit Basu) এই কেন্দ্রে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবেই ধরা হচ্ছিল।
তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে শুরু করে সমীকরণ। পঞ্চম রাউন্ডের গণনা শুরু হতেই চিত্রটা একেবারে উল্টে যায়। বিজেপি (BJP) প্রার্থী পিছিয়ে পড়েন এবং দ্রুত ব্যবধানে এগিয়ে যেতে থাকেন সুজিত বসু (Sujit Basu)। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি ভোটে লিড নেন বলে ট্রেন্ডে দেখা যায়। ফলে শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করেন তৃণমূল প্রার্থী।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
এদিকে, নির্বাচনের আগে সুজিত বসুর (Sujit Basu) নাম জড়িয়ে পড়েছিল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে তাকে একাধিকবার তলব করা হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদও চলে। ২০২৩ সালে এই মামলার তদন্তে তার বাড়ি, অফিস এবং সংশ্লিষ্ট একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি (ED)। এমনকি তার পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এই সব বিতর্কের মাঝেই ভোটে নেমে প্রথমদিকে ধাক্কা খেলেও, পরবর্তী রাউন্ডে ঘুরে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার ঘটনাই এখন বিধাননগরের মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত ফলাফল কোন দিকে যায়, সেটাই এখন দেখার।
