প্রসেনজিৎ থেকে শিলাজিৎ নেতাজি ইন্ডোরে আজ মেগা ‘জেন জ়ি উৎসব’, সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে তিলোত্তমায় রাজকীয় মহাজমায়েত

breakingnews অন্যান্য অফবিট কলকাতা

নিউজপোল ব্যুরো: কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আজ, মঙ্গলবার বসতে চলেছে ‘জেন জ়ি উৎসব’। অনুষ্ঠানকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ একাধিক মন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বিনোদন ও সংস্কৃতি জগতের একাধিক পরিচিত মুখও অনুষ্ঠানে হাজির হতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। ফলে রাজনৈতিক মহল থেকে সাংস্কৃতিক পরিসর—দুই জায়গাতেই নজর কেড়েছে এই আয়োজন।

সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, একটি সংগঠনের তরফে জেন জ়ি প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে জেন জ়ি প্রজন্মের যোগাযোগের কথা মাথায় রেখেই তাঁরা অনুষ্ঠানে থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে অবশ্য রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

সোমবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে অনুষ্ঠানের প্রচারমূলক একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করেন সুকান্ত। সেখানে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, গায়ক অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, শিলাজিৎ, তন্ময় কর এবং পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ সংস্কৃতি জগতের একাধিক ব্যক্তিত্বের ছবি দেখা যায়। ফলে অনুষ্ঠানটি মূলত সাংস্কৃতিক আবহেই হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে ‘জেন জ়ি উৎসব’ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও। কালীঘাট-তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দাবি, জেন জ়ি প্রজন্মের সঙ্গে বিজেপির চিন্তাভাবনার মিল নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অনুষ্ঠান আসলে লোকদেখানো আয়োজন। অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও বিজেপি ও আরএসএসকে নিশানা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, তরুণ প্রজন্ম যে প্রশ্ন তুলছে, তার উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।

এই সমালোচনার পাল্টা যুক্তিও রয়েছে বিজেপির। দলের বক্তব্য, জেন জ়ি প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল এবং প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে সেই বিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করেছেন। সব মিলিয়ে নেতাজি ইন্ডোরের এই অনুষ্ঠান শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, তার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক বিতর্কও। এখন দেখার, মঙ্গলবারের মঞ্চে কী বার্তা দেন সুকান্ত এবং উপস্থিত বিশিষ্টরা।