সরকারি কাজে বাধা ও মহিলা পুলিশকে হেনস্থার মামলা! ডেরেক ও’ব্রায়েনকে লালবাজারের ডেডলাইন, বুধবারই থানায় তলব

breakingnews অপরাধ আইন রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো: ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসকাণ্ডের রেশ কাটার আগেই তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে ফের পুলিশের নোটিস। সোমবার সকালে তাঁর প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাড়িতে গিয়ে দ্বিতীয় নোটিস দেয় পুলিশ। ওই নোটিসে বুধবার শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে। ফলে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

২৭ অগস্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বিলবোর্ড খোলা নিয়ে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। কলকাতা পুরসভার কর্মী ও পুলিশ সেখানে পৌঁছতেই শুরু হয় বচসা। পরে পরিস্থিতি হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তিতে গড়ায় বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার তদন্তেই ডেরেক ও’ব্রায়েনের নাম এফআইআরে রয়েছে।

পুলিশের তরফে এর আগে ডেরেককে প্রথম নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে অতিরিক্ত সময় চেয়ে পুলিশকে ইমেল করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। এরপরই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয়। এবার বুধবার থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশ ও পুরকর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ-সহ একাধিক মামলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই মামলাগুলির তদন্তের অংশ হিসেবেই একাধিক তৃণমূল নেতার ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর এবং ডেরেক ও’ব্রায়েনের নামও মামলায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও অভিযোগের প্রতিটি দিকই তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার ডেরেক থানায় হাজির হন কি না, এবং তাঁকে কী ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।