নিউজপোল ব্যুরো: পুজোর আগে আকাশে কালো মেঘ, হাওয়ায় ঝড়ের ইশারা! বিশ্বকর্মা পুজোর ঠিক আগেই ফের বদলাচ্ছে বাংলার আবহাওয়া। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার দাপট বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ফলে পুজোর প্রস্তুতির মধ্যেই আবহাওয়া নিয়ে নতুন করে সতর্ক থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
আজ, বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত এবং দমকা হাওয়া পরিস্থিতিকে আরও অস্বস্তিকর করে তুলতে পারে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর, বিশ্বকর্মা পুজোর দিনও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া হতে পারে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে রাস্তায় বেরোলে আকাশের দিকে নজর রাখাই ভালো। বিশেষ করে খোলা জায়গায় পুজোর আয়োজন, বাইরের কাজ কিংবা যাতায়াতের ক্ষেত্রে আচমকা ঝড়বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হলে সমস্যায় পড়তে পারেন সাধারণ মানুষ। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরবঙ্গও আপাতত স্বস্তিতে নেই। আজ আলিপুরদুয়ারের এক-দুই জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সেখানে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোচবিহার, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিংয়েও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
