নিউজপোল ব্যুরো: পঞ্চায়েত ভোটের আগের রাত। ২০১৮ সালের মে মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের বুধাখালিতে বাড়ির ভিতর আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছিল সিপিএম কর্মী দেবপ্রসাদ দাস ও তাঁর স্ত্রী ঊষারানি দাসের। সেই ঘটনার প্রায় আট বছর পর মামলায় বড়সড় মোড়। ঘটনায় চার্জশিট (Chargesheet) জমা দিল বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)।
তদন্তে উঠে এসেছে, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুধাখালি বুথ দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। SIT-এর চার্জশিটে FIR-এ নাম থাকা ১০ জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, ঘটনার পর তৎকালীন পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে ৯ জন সিপিএম কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল বলে অভিযোগ।
আরও দেখুন:-পুজোর আগেই উচ্ছেদের নোটিস, চুঁচুড়ায় মাথায় হাত অস্থায়ী দোকানদারদের
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নিহত দম্পতির ছেলে দীপঙ্কর দাস মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। এরপর ভবানীভবনে গিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। এর পরেই সক্রিয় হয় সুন্দরবন পুলিশ জেলা। FIR-এ নাম থাকা ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
চার্জশিট জমা পড়ার পর এবার দ্রুত বিচার এবং দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহত দম্পতির পরিবার। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর দাবি, শুধু FIR-এ থাকা ব্যক্তিরা নন, ঘটনার পিছনে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। পাল্টা তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সিপিএমের আমলের বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ করেছেন। ফলে দীর্ঘ আট বছর পর কাকদ্বীপের এই মামলায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।
