Bardhaman–Katwa railway:বর্ধমান–কাটোয়া রেলপথে ট্রেন বৃদ্ধির দাবিতে যাত্রীদের ডেপুটেশন, সুকান্ত মজুমদারের হাতে স্মারকলিপি!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:বর্ধমান–কাটোয়া রেলপথ (Bardhaman–Katwa railway) ন্যারো গেজ থেকে ব্রডগেজে উন্নীত হওয়ার পর ধীরে ধীরে জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন আপ ও ডাউন মিলিয়ে বর্তমানে মোট ১২টি ট্রেন চলাচল করছে। তবে যাত্রীদের দাবি, যাতায়াতের চাপের তুলনায় এই সংখ্যা যথেষ্ট নয়। বিশেষত জরুরি কাজ বা সময়সীমার মধ্যে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অনেক যাত্রী ট্রেন না পেয়ে বাধ্য হয়ে বেসরকারি বাস ও অন্যান্য পরিবহনে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/03/09/president-droupadi-murmu-insult-narendra-modi-tmc-controversy/

এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে রবিবার ভাতার রেলস্টেশনে বর্ধমান–কাটোয়া (Bardhaman–Katwa railway) রেলযাত্রী সমিতি একটি ডেপুটেশন কর্মসূচি পরিচালনা করে। সমিতির প্রতিনিধিরা স্টেশন ম্যানেজারের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন এবং অন্তত দুই জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চালুর দাবি জানান। এছাড়াও, তারা রেলস্টেশনে পর্যাপ্ত পানীয়জল সরবরাহ, স্টেশন চত্বরের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং যাত্রীসুবিধার উন্নয়নের দিকেও গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানায়।

একই সময় কাটোয়া শহরে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সড়কপথে যাচ্ছিলেন। ভাতার বাজারের কামারপাড়া মোড়ে স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা তাকে স্বাগত জানাতে অপেক্ষা করছিলেন। কনভয় কিছু সময়ের জন্য থামালে রেলযাত্রী সমিতির সদস্যরা তাদের দাবিপত্রের একটি প্রতিলিপি তার হাতে তুলে দেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

রেলযাত্রী সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ধমান–কাটোয়া রেলপথে যাত্রীসংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু সেই অনুযায়ী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। এই পরিস্থিতি বিশেষত দৈনন্দিন যাত্রীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। তাই সমিতি দ্রুত অন্তত দুই জোড়া নতুন ট্রেন চালু করার পাশাপাশি স্টেশনগুলিতে মৌলিক পরিষেবা এবং যাত্রীসুবিধার মান উন্নত করার দাবি তুলেছে।

সমিতি আরও উল্লেখ করেছে যে, যথেষ্ট ট্রেন না থাকায় যাত্রীদের অর্থনৈতিক বোঝা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জরুরি যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেককে বিকল্প পরিবহন ব্যবহার করতে হচ্ছে। তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে যে, যাত্রীসুবিধার স্বার্থে এবং যাতায়াতের নিরাপদ ও সুবিধাজনক ব্যবস্থার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।