নিউজপোল ব্যুরো: রাজস্থান থেকে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বর্ষা, ঠিক তখনই বঙ্গোপসাগরের বুকে জমাট বাঁধছে ঘোর বিপদ! থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়িয়ে উত্তর আন্দামান সাগরে পৌঁছে আজই পরিণত হতে চলেছে শক্তিশালী নিম্নচাপে। আমেরিকান আবহাওয়া মডেলের ইঙ্গিত অনুযায়ী, এই ঘূর্ণাবর্তটি আগামী দিনে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর রূপ ধারণ করতে পারে, যা নাম দিয়েছে বাংলাদেশ। যদিও ভারতীয় মৌসম ভবন এটিকে আপাতত নিম্নচাপ হিসেবেই দেখছে এবং এর গতিপথ অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে বলেই জানাচ্ছে, তবে এর পরোক্ষ থাবায় পুরো বাংলা জুড়ে বড়সড় দুর্যোগের মেঘ জমছে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মেনে আগামী দিনগুলিতে রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পাশাপাশি থাকছে আশঙ্কাজনক বজ্রপাত। শনি ও রবিবার ছুটির দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি পশলা বৃষ্টির সাথে বইতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই, অর্থাৎ সোমবার ও মঙ্গলবার খানিকটা মিলবে স্বস্তি; এই দু’দিন ঝড়বৃষ্টির তীব্রতা বেশ কিছুটা কম থাকবে এবং কোনো বিশেষ সতর্কবার্তাও জারি করা হয়নি
অন্যান্য বছরের মতো উত্তরবঙ্গে এখনই অতিভারী বৃষ্টির কোনো আশঙ্কা না থাকলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত জারি থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের ওপরের জেলাগুলিতেও পুনরায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সেখানেও হলুদ সতর্কতা জারি করেছে ওয়েদার অফিস। সব মিলিয়ে পুজোর কেনাকাটা ও মণ্ডপসজ্জার চূড়ান্ত লগ্নে আবহাওয়ার এই দ্বিমুখী টানাপোড়েন দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে সাধারণ মানুষের।
