নিউজপোল ব্যুরো: পুজোর আগে স্কচপ্রেমীদের জন্য বড় স্বস্তি! ভারত-ইংল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা FTA কার্যকর হওয়ার পর আমদানি করা স্কচের দাম কমতে শুরু করেছে। ব্রিটিশ হুইস্কির উপর আমদানি শুল্ক ১৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭৫ শতাংশ করা হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে ভারতের খুচরো বাজারেও। পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই নতুন দামে বিদেশি স্কচ বিক্রি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে স্কটল্যান্ডে বোতলজাত হয়ে সরাসরি ভারতে আসা BIO স্কচের দাম গড়ে প্রায় ৭ থেকে ১০ শতাংশ কমেছে। ফলে দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় কয়েকটি ব্র্যান্ড এখন আগের তুলনায় কিছুটা কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই দাম কমায় মদের ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ক্রেতাদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ।
- জনি ওয়াকার ব্ল্যাক লেবেল ৭৫০ মিলিলিটার বোতলের দাম প্রায় ৪,২৫০ টাকা থেকে কমে ৩,৮০০ টাকার আশপাশে এসেছে।
- শিভাস রিগ্যাল ১২ বছর ৩,২৭০ টাকা থেকে নেমে হয়েছে প্রায় ৩,০০০ টাকা।
- ভ্যালেন্টাইন ১৫ বছর ৩,১০০ টাকা থেকে কমে প্রায় ২,৭৯০ টাকা হয়েছে।
- সাধারণ ভ্যালেন্টাইন ২,০৪০ টাকা থেকে নেমে প্রায় ১,৮৮০ টাকা
- গ্লেন্ডরিচ ৪,২৫০ টাকা থেকে কমে প্রায় ৩,৯১০ টাকায় এসেছে।
আরও বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে J&B-এর ক্ষেত্রে। প্রায় ২,৩০০ টাকার বোতল এখন ১,৭০০ টাকার কাছাকাছি দামে পাওয়া যাচ্ছে বলে বাজার সূত্রে দাবি। ফলে কিছু এন্ট্রি-লেভেল স্কচ ২,০০০ টাকার নিচে চলে এসেছে। এমনকি বেশ কিছু প্রিমিয়াম সিঙ্গল মল্টও ৪,০০০ টাকার নিচে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তবে আমদানি শুল্ক অর্ধেক হলেও সব বোতলের দাম ৫০ শতাংশ কমেনি। কারণ মদের দামের সঙ্গে রাজ্য সরকারের আবগারি শুল্ক, পরিবহণ খরচ, ডিলার ও বিক্রেতাদের মার্জিনও যুক্ত থাকে। ফলে কেন্দ্রের শুল্ক কমার পুরো সুবিধা সরাসরি ক্রেতার হাতে পৌঁছয়নি। পশ্চিমবঙ্গে উৎসবের মরশুমে প্রিমিয়াম মদের চাহিদা সাধারণত বাড়ে। তাই দাম কমার ফলে দুর্গাপুজোর আগে স্কচের বিক্রি বাড়তে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। একইসঙ্গে দেশীয় প্রিমিয়াম সিঙ্গল মল্ট ব্র্যান্ডগুলির সঙ্গেও বিদেশি স্কচের প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
