Saraswati: জ্ঞান বৃদ্ধির প্রতীক ‘জ্ঞান সরস্বতী’, জানুন তাঁর মহিমা

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: তেলেঙ্গানার বাসারায় অবস্থিত জ্ঞান সরস্বতী Saraswati মন্দির ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও বিশেষতম সরস্বতী Saraswati মন্দির। পুরাণ অনুসারে, কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পর মহর্ষি বেদব্যাস ও মহামুনি বিশ্বামিত্র শান্তির সন্ধানে গোদাবরী নদীর তীরে আসেন। এখানকার নির্জন অরণ্যে বসবাস শুরু করে বেদব্যাস কঠোর তপস্যায় নিমগ্ন হন। এক বসন্ত পঞ্চমীর দিনে তিনি গোদাবরীর বালু দিয়ে তিনটি ঢিপি তৈরি করেন, যা পরে দেবী সরস্বতী, মহালক্ষী ও মহাকালীর বিগ্রহে পরিণত হয়।

আরও পড়ুন: Excessive Yawning Causes: আপনার বেশি হাই ওঠা স্বাভাবিক নাও হতে পারে! সতর্ক থাকুন!

রাজা বিজিয়ালুডু ষষ্ঠ শতকে এখানে একটি অপূর্ব মন্দির নির্মাণ করেন। পরবর্তীকালে চালুক্য রাজারা মহালক্ষী ও মহাকালীর মন্দিরও স্থাপন করেন। তবে ১৪ শতকে আলাউদ্দিন খিলজির সেনাপতি মালেক কাফুর মন্দিরটি ধ্বংস করে দেন। পরে, ১৭ শতকে স্থানীয় উপজাতীয় প্রধানেরা এটি পুনর্নির্মাণ করেন এবং দেবী জ্ঞান সরস্বতীর বিগ্রহ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।মন্দিরের অন্যতম আকর্ষণ দেবীর শ্বেতশুভ্র মন্দিরে চতুর্ভুজা, পীতবস্ত্র-পরিহিতা সরস্বতী, যাঁর গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, কারণ প্রতিদিন দেবীর মূর্তিতে হলুদের প্রলেপ দেওয়া হয়। এই হলুদ ভক্তদের প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয়, যা জ্ঞান ও মেধা বৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়। ব্যতিক্রমীভাবে, দেবীর বাহন এখানে রাজহংস নয়, বরং এক হরিদ্রাভ ময়ূর।

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1BH1X3DtfC/

প্রতি বছর বসন্ত পঞ্চমীতে এখানে বিশেষ উৎসব পালিত হয়—অক্ষরভ্যাসম। এই দিনে হাজার হাজার শিশুকে তাঁদের বাবা-মায়েরা হাতেখড়ির জন্য দেবীর চরণে নিয়ে আসেন। এছাড়াও, গুরু পঞ্চমী, রাখি পূর্ণিমা ও বিজয়া দশমীতেও এই অক্ষরভ্যাসম উৎসব হয়। প্রতি বছর প্রায় ১০-১২ লক্ষ শিশু এখানে হাতেখড়ি নেয়। হাওড়া থেকে বাসারার সরাসরি ট্রেন রয়েছে। বাসারা রেলস্টেশন থেকে মন্দির মাত্র ৮ মিনিটের দূরত্বে। নিকটতম বিমানবন্দর রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।