HS Exam 2025: ভুলে যাওয়া এডমিট কার্ড সিভিক ভলেন্টিয়ারের সাহায্যে ফিরে পেল ছাত্রী

জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: আজ সোমবার, থেকে শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা(HS Exam 2025)। রাজ্যের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ইসলামপুর পুলিশ প্রশাসন (Islampur Police Administration) বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পরীক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য হেল্প ডেস্ক (Help Desk) স্থাপন করা হয়েছে, যাতে কোনো পরীক্ষার্থী সমস্যায় পড়লে দ্রুত সমাধান পেতে পারেন।

আরও পড়ুন:- Abhishek Banerjee: ডায়মন্ড হারবারে বিনামূল্যে টোটো পরিষেবা!

এমনই এক মানবিক ঘটনার(HS Exam 2025) সাক্ষী থাকল ইসলামপুরের মিলনপল্লী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (Milonpally High School Exam Centre)। গুনজুড়িয়ার পাচু রসিয়া হাইস্কুলের (Pachu Rasiya High School) এক ছাত্রী ভুলবশত তার এডমিট কার্ড (Admit Card) বাড়িতে ফেলে আসেন। পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি পুলিশকে জানান।পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার (Civic Volunteer) ওই পরীক্ষার্থীকে দ্রুত তার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে এডমিট কার্ড সংগ্রহ করে তিনি ছাত্রীকে আবার মিলনপল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেন, যাতে সে সময়মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:- https://www.facebook.com/share/164mWXbsyp/

এই ঘটনার(HS Exam 2025) পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামপুর পুলিশের এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। পরীক্ষার্থীর পরিবার এবং স্থানীয়রা সিভিক ভলেন্টিয়ারের এই মানবিক ভূমিকাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। রাজ্যের সর্বত্রই আজ প্রথম ভাষার পরীক্ষা (First Language Exam) দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পুলিশি নিরাপত্তা ও সহযোগিতার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা পরীক্ষার্থীদের জন্য যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক বলে মনে করা হচ্ছে। ইসলামপুর পুলিশ প্রশাসনের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াও তাদের অন্যতম দায়িত্ব। পরীক্ষার দিন কোনো পরীক্ষার্থী যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে, তার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের সর্বত্র প্রথম দিনের পরীক্ষাটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশি নিরাপত্তা ও সহযোগিতার ফলে পরীক্ষার্থীরা স্বস্তির সঙ্গে পরীক্ষা দিতে পারছেন। এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।