নিউজ পোল ব্যুরো: ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠছে বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের (climate change) প্রভাব। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়ন্ত্রিত বৃষ্টিপাত এবং দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে জলসংকট (water crisis) এক নতুন সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে তীব্র তাপপ্রবাহের (heatwave) কারণে গ্রাম থেকে শহর, সর্বত্রই মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠছে। উন্নয়নশীল দেশগুলি (developing nations) এরইমধ্যেই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে, অথচ তাদের জন্য পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন (climate finance) এখনও নিশ্চিত হয়নি।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাচ্ছে। কোথাও প্রচণ্ড বর্ষণে বন্যা (flood) দেখা দিচ্ছে, আবার কোথাও দীর্ঘ অনাবৃষ্টির কারণে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর (groundwater level) দ্রুত কমে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি বিশেষ করে কৃষিনির্ভর দেশগুলোর জন্য আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির (global warming) প্রধান কারণ হল শিল্পোন্নত দেশগুলোর (developed countries) অতিরিক্ত কার্বন নির্গমন (carbon emissions)। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে উন্নয়নশীল দেশগুলির ওপর। জলবায়ু নীতিমালা (climate policy) বাস্তবায়ন এবং সবুজ শক্তির (green energy) দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এই দেশগুলোর প্রয়োজন পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা। ভারতের মতে, এই বছরের জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন -এর সাফল্য নির্ভর করছে গ্লোবাল নর্থ (Global North) বা উন্নত দেশগুলির ওপর। (developed countries) তাদের প্রতিশ্রুত জলবায়ু অর্থায়ন সরবরাহ করবে কিনা সেটাই দেখার।

ব্রিকস দেশগুলির অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো মরুকরণ (desertification)। জলবায়ু পরিবর্তন (climate change) এবং অপরিকল্পিত কৃষিকাজের (unsustainable agriculture) ফলে অনেক অঞ্চলে ভূমি উর্বরতা হারাচ্ছে। বিশেষ করে ভারতে রাজস্থান, চীনের গবি মরুভূমি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু অংশ ক্রমশ শুকনো ও অনুর্বর হয়ে পড়ছে।এছাড়াও ভূমি অবক্ষয় (land degradation) একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষিজমি অতিরিক্ত চাষাবাদের ফলে পুষ্টিহীন হয়ে পড়ছে, বন উজাড় (deforestation) এবং ভূমিক্ষয় (soil erosion) বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে খাদ্য নিরাপত্তা (food security) হুমকির মুখে পড়ছে।
আরও পড়ুন:-Manoj Kumar: চলচ্চিত্রে মহানায়কের চিরবিদায়ে শোকাহত প্রধানমন্ত্রী
ভারতের মতে, ব্রিকস দেশগুলির বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা ব্যবহার করে সাশ্রয়ী ও কার্যকর সমাধান বের করা সম্ভব (water crisis) । নবায়নযোগ্য শক্তির (renewable energy) দিকে ঝোঁকা, টেকসই কৃষি (sustainable agriculture) পদ্ধতি গ্রহণ, কার্বন নির্গমন হ্রাস এবং প্রযুক্তি (green technology) ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত সমস্যার মোকাবিলা করা যেতে পারে। একমাত্র যৌথ প্রচেষ্টার (collective effort) মাধ্যমেই ব্রিকস দেশগুলি তাদের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে পরিবেশ সংরক্ষণ (environmental conservation) নিশ্চিত করতে পারবে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
