Turkey Controversy: তুরস্কের বিতর্কিত ভূমিকায় উত্তাল ভারত, সেলেবি এভিয়েশনের লাইসেন্স বাতিল ঘিরে নতুন প্রশ্নচিহ্ন

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: পহেলগাঁও সংঘর্ষ-পরবর্তী ভারত-পাকিস্তান (India Pakistan) উত্তেজনার আবহে তুরস্কের আচরণে (Turkey Controversy) গভীর অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে ভারতের বিভিন্ন মহলে। অভিযোগ উঠেছে, শুধু অস্ত্র বা ড্রোন সরবরাহ করেই নয়, পাকিস্তানে (Pakistan) সরাসরি সেনা মোতায়েন করেছিল তুরস্ক। এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। বুদ্ধিজীবী মহল থেকে ছাত্রসমাজ সবাই প্রশ্ন তুলছে, ‘বিশ্বাসঘাতক’ দেশের সঙ্গে কি এখনও সহযোগিতা চলতে পারে?

আরও পড়ুন: S Jaishankar: সিন্ধু চুক্তিতে টলবে না ভারত, পাক অনুনয়ে অনড় নয়াদিল্লি

প্রথম ধাক্কা আসে শিক্ষাক্ষেত্রে। জেএনইউ ও জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় তুরস্কের (Turkey Controversy) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে থাকা শিক্ষা ও গবেষণাসংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করেছে। এবার আঙুল উঠেছে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা তুরস্কের সংস্থা ‘সেলেবি এভিয়েশন’ (Celebi Aviation)-এর দিকে।

বিশ্বজুড়ে খ্যাতিসম্পন্ন এই সংস্থা ভারতে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই-সহ মোট ৯টি প্রধান বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড অপারেশনের কাজ করে থাকে। এদের দুটি শাখা- সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিস ইন্ডিয়া ও সেলেবি দিল্লি কার্গো টার্মিনাল ভারতের মাটিতে প্রায় ৭,৮০০ কর্মী নিয়ে ৫৮ হাজারেরও বেশি বিমানের পরিচালন ও বিপুল পরিমাণ কার্গো পরিবহনের দায়িত্ব সামলায়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

কিন্তু বর্তমানে প্রশ্ন উঠছে, একটি স্পর্শকাতর নিরাপত্তা ক্ষেত্র যেমন বিমানবন্দর—সেখানে ‘বৈদেশিক ও সন্দেহজনক পক্ষের’ কর্তৃত্ব আদৌ নিরাপদ কি না? জাতীয় নিরাপত্তা কি এতে বিপন্ন হতে পারে? এই পরিস্থিতিতে আরএসএস সরাসরি তুরস্ক বয়কটের (Turkey Controversy) ডাক দিয়েছে, এবং ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে ‘সেলেবি এভিয়েশনের’ লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।