Fish Fry: ঠাকুরবাড়ির কায়দায় মুচমুচে কাতলা ফিশ ফ্রাই ঘরেই বানিয়ে নিন

লাইফস্টাইল

নিউজ পোল ব্যুরো: ফিশ ফ্রাই মানেই বাঙালির এক অবিচ্ছেদ্য ভোজন সংস্কৃতি। পার্টি হোক কিংবা সন্ধ্যাবেলার চা, বিয়েবাড়ি হোক বা পুজোর নিমন্ত্রণ, মেনুতে যদি ফিশ ফ্রাই না থাকে, তবে যেন কিছু একটা অপূর্ণ থেকেই যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কলকাতার বাজারে পাওয়া ভেটকি মাছ দিয়ে বানানো হয় এই ফিশ ফ্রাই (Fish Fry), কারণ তার স্বাদ এবং টেক্সচার খুবই মোলায়েম। কিন্তু সবসময় তো আর ভেটকি হাতে থাকে না। তাই বলে কি ফিশ ফ্রাই হবে না? মোটেই না!

আরও পড়ুন:Recipe: মুখরোচক আলু পোলাও দিয়ে হোক রসনার তৃপ্তি

বাঙালির ঘরে প্রায়শই থাকে কাতলা মাছ। একটু চেষ্টা করলেই কাতলা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন একেবারে ঠাকুরবাড়ির কায়দার সেই পুরনো দিনের ঘ্রাণে মোড়া, মুচমুচে, খাস্তা ফিশ ফ্রাই। আসুন জেনে নিই কীভাবে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
কাতলার পেটি মাছ – ৫টি (খোসা ছাড়া ও পরিস্কার করে কাটা)
হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়ো – আধ চা চামচ
গরম মশলা গুঁড়ো – আধ চা চামচ
আদা-রসুন বাটা – ১ টেবিল চামচ
কাঁচা লঙ্কা বাটা – ১ টেবিল চামচ
টক দই – ১ টেবিল চামচ
লবণ – স্বাদ অনুযায়ী
মুসুর ডাল – আধ কাপ
সর্ষের তেল – পরিমাণ মতো (ভাজার জন্য)
প্রস্তুত প্রণালী:
মাছ ম্যারিনেট করা:
কাতলা মাছের পেটি গুলো পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে তার মধ্যে দিয়ে দিন হলুদ, লবণ, গোলমরিচ গুঁড়ো, গরম মশলা, আদা-রসুন বাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা ও টক দই। ভাল করে মাখিয়ে এক ঘণ্টার জন্য ঢেকে রেখে দিন। এই সময় মাছের মধ্যে মশলার স্বাদ ঢুকে যাবে।

মুসুর ডালের আবরণ তৈরি:
মুসুর ডাল প্রথমে ধুয়ে জল ঝরিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। তারপর শুকনো কড়াইয়ে হালকা ভেজে তুলে ঠান্ডা করে নিন। এরপর সেটি মিক্সারে গুঁড়ো করে নিন। এই গুঁড়ো দিয়েই তৈরি হবে ফিশ ফ্রাইয়ের আবরণ।

ভাজা:
কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন। ম্যারিনেট করা মাছের গায়ে ডালের গুঁড়ো ভাল করে মাখিয়ে তেলে দিন। মাঝারি আঁচে দুই দিক সোনালি লাল হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। মাছ যেন ভেতর পর্যন্ত ভাজা হয় এবং বাইরেরটা মুচমুচে হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

পরিবেশনের পরামর্শ:
এই ফিশ ফ্রাই (Fish Fry) কাসুন্দি ও পেঁয়াজ কুচির সঙ্গে পরিবেশন করলে তার স্বাদ আরও বেড়ে যায়। চায়ের সঙ্গেও এটি অসাধারণ লাগে। আর দুপুরের খাবারে গরম ভাত, ডাল বা সর্ষে বাটা দিয়ে খেলে জিভে জল আসবেই।

এই রেসিপি শুধু সুস্বাদু নয়, বরং কাতলা মাছের সহজলভ্যতা এবং মুসুর ডালের পুষ্টিগুণ যুক্ত হওয়ায় এটি একটি হেলদি বিকল্পও বটে। এবার থেকে ভেটকি না পেলেও কাতলা দিয়েই জমে যাবে ভোজনরসিকের আসর!

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT