নিউজ পোল ব্যুরো: নেপালে (Nepal) রাজনৈতিক সঙ্কট চরমে। গণবিক্ষোভ, সহিংসতা, এবং পদত্যাগ। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশে পা রাখার আগে যেন শতবার ভাবেন কেউ, এমনই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ রওনা দেওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নেপাল আমাদের দেশ নয়, এটা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। আমরা তার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করব না। তবে চাই, ওখানে শান্তি ফিরুক।”
আরও পড়ুন: Nepal: নেপাল জ্বলছে গণআন্দোলনের আগুনে, ইস্তফা প্রধানমন্ত্রীর, দেশ ছাড়ার পথে ওলি!
নেপালের সদ্য পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির (KP Sharma Oli) অব্যাহতির পরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, উত্তেজনা, নিরাপত্তা হানির আশঙ্কায় বাংলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির দিকেও বাড়ছে নজর। মমতার (Mamata Banerjee) হুঁশিয়ারি, “সীমান্ত এলাকায় সকলে সতর্ক থাকুন। কেউ যেন কোনও গন্ডগোলে না জড়ান এবং এই মুহূর্তে কেউ যেন নেপালে যাত্রা না করেন। আর কেউ গেলে, রাজ্য সরকারকে অবশ্যই জানিয়ে তবেই যান।” তিনি আরও বলেন, “পাড়া-প্রতিবেশী ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকি। নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা সব দেশকেই আমরা ভালোবাসি। তবে এখন যা পরিস্থিতি, তাতে ঝুঁকি নিয়ে বাইরে যাওয়া একেবারেই ঠিক নয়।”
উত্তরবঙ্গ সফরে তিনদিনের কর্মসূচিতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। বুধবার ডুয়ার্সে (Dooars) চা শ্রমিকদের জমির পাট্টা বিলির মতো একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তার। বৃহস্পতিবার ফেরার কথা কলকাতায়। তার আগেই ফের একবার স্পষ্ট করলেন রাজ্য সরকারের অবস্থান জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এসআইআর) নিয়ে। তিনি জানালেন, “এসআইআরের (SIR) বিরুদ্ধে আমরা শুরু থেকে। এই প্রক্রিয়া দিনে-দুপুরে হয় না, ৩-৪ বছর সময় লাগে। যেদিন হবে, সেদিন দেখা যাবে। তবে নাগরিক হিসেবে আধার ও ভোটার কার্ড সঙ্গে রাখা আবশ্যিক। যাদের নেই, তারাও যেন তাড়াতাড়ি ইপিক কার্ড বানিয়ে নেন।” উত্তরবঙ্গে গিয়ে বাঙালি পরিচিতি, জমির অধিকার, ও নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নজর তীক্ষ্ণ।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
