IIT Delhi : আবুধাবিতে আইআইটি দিল্লির নতুন সূচনা, চালু হল বি.টেক ও পিএইচডি কোর্স

শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের হাত ধরে আবুধাবির (Abu Dhabi) আইআইটি দিল্লি (IIT Delhi) ক্যাম্পাসে চালু হল নতুন বি.টেক (BTech) এবং পিএইচডি (PhD) কোর্স। রবিবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (Chemical Engineering) এবং এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি (Energy & Sustainability) বিষয়ে স্নাতক ও গবেষণার পাঠক্রমের সূচনা করেন। শিক্ষামন্ত্রী এদিন ছাত্রছাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমার তরুণ বন্ধুরা এখান থেকে বৈশ্বিক সমৃদ্ধি ও মানবকল্যাণের জন্য নতুন দিশা দেখাবে এবং ইতিহাসে নিজেদের ছাপ রেখে যাবে।”

আরও পড়ুন: Gold Rate : কলকাতায় ফের সোনার দামে ঊর্ধ্বগতি, সামান্য কমল রুপোর দর

উল্লেখযোগ্যভাবে, ধর্মেন্দ্র প্রধান আবুধাবিতে (Abu Dhabi) AEDK–এর চেয়ারপার্সন সারা মুসল্লামের (Sara Musallam) সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠকে ভারত–সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (India–UAE) শিক্ষা সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষত ভারতীয় পাঠ্যক্রমভিত্তিক (Indian Curriculum Schools) আরও স্কুল খোলার উদ্যোগ, স্কুল স্তর থেকেই দুই দেশের ছাত্রছাত্রীদের Student Exchange Program চালু করা, এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে নানাবিধ পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে কথাবার্তা হয়। এতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বসবাসরত ভারতীয় প্রবাসীদের (Indian Diaspora) শিক্ষাগত প্রয়োজন মেটানো সহজ হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

এই সফরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী আটল ইনকিউবেশন সেন্টার (Atal Incubation Centre – AIC)–এর উদ্বোধনও করেন, যা প্রথমবারের মতো বিদেশে অবস্থিত কোনও ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু হল। প্রধান বলেন, এই ইনকিউবেশন সেন্টার ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তরুণ উদ্ভাবক ও গবেষক–উদ্যোক্তাদের (Start-ups, Innovators) জন্য যুগান্তকারী সুযোগ তৈরি করবে। তিনি আরও জানান, এই প্ল্যাটফর্ম থেকে Deep Tech, Artificial Intelligence (AI), Clean Energy, Healthcare সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাতে নতুন যৌথ উদ্যোগ গড়ে উঠবে। পাশাপাশি ভারতীয় স্টার্ট-আপদের জন্য এটি মধ্যপ্রাচ্যের (Middle-East Markets) বাজারে প্রবেশের দ্বার খুলে দেবে। নতুন পাঠক্রম উদ্বোধনের দিন ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের তৈরি রঙিন রঙোলিও মন্ত্রীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। তার কথায়, “এই উদ্যোগ শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, বরং ভারত–আমিরশাহির সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলবে এবং নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা নিতে অনুপ্রাণিত করবে।”