Sushila Karki interim Prime Minister:“হিংসার সঙ্গে যারা যুক্ত,তাদের কেউ রেহাই পাবে না”—নেপালের দায়িত্ব নিয়েই হুঙ্কার সুশীলা কার্কির!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:সাম্প্রতিক সময়ে নেপাল অশান্তি ও হিংসার আবহে ডুবে গেছে। দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি অতি অস্থির হয়ে উঠেছে। গণআন্দোলনের চাপে কেপি শর্মা ওলি সরকারের পতন ঘটেছে, যার ফলে দেশজুড়ে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময় নেপালের বিভিন্ন জেলে আটক বন্দিরা পাঁচিল টপকে পালিয়ে গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে। এই অস্থির পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দেশের প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলা কার্কি (Sushila Karki interim Prime Minister), যিনি এখন নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেশকে স্থিতিশীল করার পাশাপাশি জেন জি বিদ্রোহে নিহতদের শহীদ ঘোষণা করার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি, হিংসা ও অশান্তির ঘটনায় যারা দোষী তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/09/14/isf-nawshad-siddiqui-letter-biman-bose-united-front-west-bengal/

সুশীলা কার্কি (Sushila Karki interim Prime Minister) সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের ক্ষমতার জন্য কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই। সাময়িকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। দেশের হাল ধরার দায়িত্ব নিয়েছি। খুব শীঘ্রই নতুন সংসদ গঠিত হলে দায়িত্ব থেকে সরে যাব। তবে যারা আন্দোলনে নিহত হয়েছেন, তাদের সবাইকে শহীদ ঘোষণা করা হবে। এবং যারা হিংসা ছড়িয়েছে বা অশান্তি উসকানি দিয়েছে, তাদের কেউ ছাড় পাবে না। আইন অনুযায়ী অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পূর্বের ঘটনা বিবেচনায়, কিছুদিন আগে কাঠমন্ডু সহ নেপালের প্রতিটি শহরে বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তরুণ ও যুব সমাজ এই আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। এই অস্থির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেপাল সরকার ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং আরও ২৬টি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সরকারের দাবি, সাইবার অপরাধ ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে দেশের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

এর আগে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি জানিয়েছিলেন, “আমরা সামাজিক মাধ্যমের বিরুদ্ধে নই, তবে যারা প্রশাসনের আইন না মেনে ব্যবসা চালাচ্ছে, শুধুমাত্র তাদের ব্যবহারে সীমিততা আনা হচ্ছে।” কিন্তু সরকারের এই পদক্ষেপই কার্যত দেশব্যাপী বিক্ষোভকে উসকানি দিয়েছে এবং পরিস্থিতিকে রণক্ষেত্রের মতো করে তুলেছে।

বর্তমান সময়ে নেপাল এক অগ্নিগর্ভ রাজনৈতিক, সামাজিক ও জনরোষের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আছে। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি বলছেন, দেশের শান্তি, আইনের শাসন এবং হিংসাত্মক উপাদান চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়াই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য। তবে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কতটা সফল হবে, তা আগামী সময়ই স্পষ্ট করবে।