Depression and Anxiety: মাথায় সারাক্ষণ নেতিবাচক চিন্তা? সহজ উপায়ে সরান মনখারাপের মেঘ

স্বাস্থ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: মাথার ভেতরে নেতিবাচক চিন্তার ঘূর্ণিঝড় থামছে না, মনখারাপ যেন চেপে বসে আছে সারাক্ষণ এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন অনেকেই। আধুনিক জীবনের কর্মচাপ, সম্পর্কের জটিলতা আর ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা মিলে আজকাল বহু মানুষের মনেই (Depression and Anxiety) বাসা বাঁধছে কালো মেঘ। কখনও মনে হচ্ছে ব্যর্থতার আশঙ্কা, কখনও আবার সমালোচনার ভয়, সব মিলিয়ে নেতিবাচক ভাবনার দুষ্টচক্র থেকে বেরোনোই কঠিন হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন:South Indian Food: সন্ধ্যার আড্ডায় দক্ষিণী স্বাদ, চায়ের সঙ্গে বানিয়ে নিন পুনুগুলু, ভাজিক্কাই ভাজি আর থাট্টাই

মনোবিদরা জানাচ্ছেন, মাঝেমধ্যে মন খারাপ করা বা নেতিবাচক চিন্তা আসা একেবারেই অস্বাভাবিক নয়। সমস্যা তখনই বাড়ে, যখন এই ভাবনাগুলো দিন-রাত মাথার ভেতর ঘুরপাক খেতে থাকে এবং জীবনের স্বাভাবিক ছন্দকে প্রভাবিত করতে শুরু করে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কয়েকটি সহজ কৌশল ও অভ্যাসের বদল ঘটালেই ধীরে ধীরে এই মানসিক চাপ (Depression and Anxiety) কাটানো সম্ভব।

প্রথমত, কোনও নেতিবাচক চিন্তা এলেই তাকে জোর করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করে বরং স্বীকার করে নিন। ভাবুন, এই চিন্তা শরতের মেঘের মতো, যা আসবে এবং একসময় মিলিয়েও যাবে। এতে তার তীব্রতা অনেকটাই কমে যায়। দ্বিতীয়ত, নেতিবাচক ভাবনার মুখে পড়লে নিজেকে প্রশ্ন করুন এই ভাবনার পেছনে কি কোনও বাস্তব প্রমাণ আছে? আগেও কি এমন চিন্তা হয়েছিল? তার পরেও কি আমি সফল হইনি? এই যুক্তিবাদী প্রশ্নোত্তর অনেক সময়ই সেই ভাবনার অসারতা (Depression and Anxiety) প্রমাণ করে দেয়।

এ ছাড়া মনকে বর্তমানের দিকে ফিরিয়ে আনার অভ্যাস গড়ে তুলুন। অতীতের আক্ষেপ বা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার অন্যতম উপায় হল ‘মাইন্ডফুলনেস’ (Depression and Anxiety)। গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস, চারপাশের শব্দ, রঙ বা স্পর্শের প্রতি মনোযোগ দেওয়া এসব অনুশীলন মনকে শান্ত রাখে। আর যদি দেখেন, চিন্তা একটানা ঘুরপাক খাচ্ছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ বদলে নিন। কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন, পছন্দের গান শুনুন বা এমন কারও সঙ্গে কথা বলুন, যাঁর সঙ্গ আপনাকে আনন্দ দেয়। গাছে জল দেওয়া বা ঘর গোছানোর মতো ছোট ছোট কাজও মনকে ব্যস্ত রাখে।

তবে যদি দীর্ঘ সময় ধরে নেতিবাচক চিন্তা আপনার ঘুম, খিদে, কাজ বা সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া জরুরি। শরীর খারাপ হলে যেমন চিকিৎসকের (Depression and Anxiety) কাছে যাওয়া স্বাভাবিক, তেমনই মনের যত্ন নিতে মনোবিদ বা কাউন্সেলরের পরামর্শ নেওয়াটাও একেবারেই স্বাভাবিক। এটি দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং নিজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারই প্রমাণ। মনে রাখবেন, মনের লাগাম আপনার হাতেই, শুধু তাকে সামলানোর কৌশলটুকু ধৈর্য ধরে শিখে নিতে হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole