Laxmi Puja: দেবী লক্ষ্মীকে আহ্বান জানানোর আগে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

Life style

নিউজ পোল ব্যুরো: দুর্গাপুজোর দশমী শেষ হতেই বাঙালির ঘরে শুরু হয় নতুন তোড়জোড়—মা লক্ষ্মীকে আহ্বান জানানোর প্রস্তুতি। কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে অনুষ্ঠিত হয় লক্ষ্মীপুজো (Laxmi Puja), যা ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক। কিন্তু কেবল পুজো করলেই হয় না, দেবীকে ঘরে স্বাগত জানানোর আগে প্রয়োজন বাড়ি পরিপাটি রাখা। বিশ্বাস করা হয়, নোংরা ও অগোছালো বাড়িতে মা লক্ষ্মী প্রবেশ করেন না। তাই পুজোর আগে ঘর পরিষ্কারের সঠিক নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন:Akshay Kumar : মেয়েকে লক্ষ্য করে অশ্লীল প্রস্তাব! সাইবার সুরক্ষায় স্কুলে বিশেষ ক্লাস চাইছেন অক্ষয় কুমার

প্রথমেই অব্যবহৃত, ভাঙাচোরা বা অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফেলে দিতে হবে। কারণ এইসব জিনিস ঘরে নেতিবাচক শক্তি তৈরি করে এবং সমৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে। ঘরের উত্তর-পূর্ব বা ঈশান কোণকে দেবতার স্থান ধরা হয়, তাই সেখানে বিশেষ যত্নে পরিষ্কার করতে হবে। যেন পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ঢোকে এবং কোনও আবর্জনা জমে না থাকে।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার আরেক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল নুনজল দিয়ে ঘর মুছে নেওয়া। এর ফলে বাতাসের অশুদ্ধতা দূর হয়, এবং ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায়। পুজোর আগে ধুনোর ধোঁয়া দিলে ঘর আরও পবিত্র হয় বলে মনে করা হয়।

বাড়ির সদর দরজা দেবী লক্ষ্মীর (Laxmi Puja) প্রবেশপথ হিসেবে ধরা হয়। তাই দরজার আশপাশ পরিষ্কার রাখা আবশ্যিক। সেখানে জুতো, ধুলো-ময়লা বা অপরিষ্কার পাপোশ রাখা একদমই উচিত নয়। পুজোর দিন দরজার সামনে আলপনা আঁকার আগে জায়গাটা জল দিয়ে ভালো করে মুছে নিতে হবে। তারপর সাদা, লাল ও হলুদ রঙে আলপনা আঁকা যেতে পারে। লাল রঙ মা লক্ষ্মীর প্রিয়, আর হলুদ বৃহস্পতির রঙ—যা ধনসম্পদের প্রতীক।

এ ছাড়া, ঘরের সেই অংশ যেখানে টাকা-পয়সা ও গয়না রাখা হয়, সেটিও ভালো করে পরিষ্কার করা জরুরি। কারণ মা লক্ষ্মী শৃঙ্খলা ও শুচিতা ভালোবাসেন। রান্নাঘরও বাদ যাবে না—চাল, ডাল, মশলা থেকে শুরু করে গ্যাস-অভেন পর্যন্ত সব কিছু ঝকঝকে রাখতে হবে, কারণ মা লক্ষ্মী শস্যের দেবীও বটে।

এই সব ছোট ছোট নিয়ম মেনে চললেই বাড়ির পরিবেশ হবে পবিত্র, মন হবে প্রশান্ত, আর দেবী লক্ষ্মীর কৃপা বর্ষিত হবে পরিবারের ওপর। তাই কোজাগরীর আগে কেবল সাজসজ্জা নয়, পরিচ্ছন্নতাই হোক পুজোর প্রথম পদক্ষেপ।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole