নিউজ পোল ব্যুরো: ভারত বরাবরই ‘ভাত’ (Most expensive Rice)–প্রধান দেশ। বাঙালির পাতে সাদা ভাত হোক বা উত্তর ভারতের সুবাসিত বাসমতি, আবার দক্ষিণের লম্বা দানার চাল সব মিলিয়ে ভাতের কদর এ দেশে চিরকালই তুঙ্গে। বিরিয়ানি, পোলাও, খিচুড়ি—চালের ওপর ভর করেই গড়ে উঠেছে বহু সংস্কৃতির রান্নাঘর। কিন্তু সেই বিরিয়ানির দেশকেই ভাতের দামে যেন ছাপিয়ে গেল জাপান। ‘ভাত’ (Most expensive Rice)–এর দামের নিরিখে বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে কিনমেমাই নামে এক বিশেষ চাল, যার দাম প্রতি কেজি প্রায় ১২ হাজার ৫০০ টাকা।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলেছে এই কিনমেমাই রাইস। দামি হওয়ার পেছনে রয়েছে বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি তার অনন্য প্রক্রিয়াকরণ এবং অসাধারণ গুণাগুণ। সাধারণ ভাতের (Most expensive Rice) তুলনায় এই চালের প্রথম সুবিধা এটি রান্নার আগে ধোয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। উন্নত প্রক্রিয়ায় চালের অতিরিক্ত স্টার্চ এবং খুদ আগে থেকেই সরিয়ে ফেলা হয়। ফলে রান্না হয় দ্রুত এবং স্বাদও থাকে অপরিবর্তিত। জাপানের টেয়ো রাইস কর্পোরেশনের দাবি, কিনমেমাই চালে লাইপোপলিস্যাকারাইডস বা এলপিএস-এর পরিমাণ সাধারণ চালের থেকে পাঁচ গুণ বেশি। এই উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ক্ষত সারাতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। তাই স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে এই ভাত (Most expensive Rice) হয়ে উঠেছে আগ্রহের কেন্দ্র।
ডায়াবিটিসের রোগীদের কাছেও কেন এই চাল জনপ্রিয় হচ্ছে তার সহজ ব্যাখ্যা আছে। কিনমেমাই চালে শর্করার মাত্রা কম, পাশাপাশি এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও কম হওয়ায় রক্তে শর্করা দ্রুত বেড়ে যায় না। কম ক্যালোরি থাকায় এটি খাদ্যতালিকায় রাখা আরও সুবিধাজনক। পুষ্টিগুণেও এই ভাত (Most expensive Rice) অনেক এগিয়ে। বি১, বি৬, ই ভিটামিন, নায়াসিন এবং পর্যাপ্ত ফাইবার—সব কিছু মিলিয়ে এটি সাধারণ চালের থেকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। সবচেয়ে বড় কথা, স্বাদে রয়েছে বাদামের মাখনের মতো মোলায়েম অনুভূতি। ব্রাউন রাইস হলেও রং থাকে প্রায় সাদা এবং রান্নার পর ভাত ফোলা ও নরম হয়। সব মিলিয়ে বলা যায়, বিরিয়ানির দেশ ভারত যতই ‘ভাত’–প্রেমী হোক, বিশ্বের সবচেয়ে দামি ভাত (Most expensive Rice)–এর মুকুট এখন জাপানের কিনমেমাইয়ের দখলেই।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
