নিউজ পোল ব্যুরো: নিউ ইয়র্কে (New York) রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির (Zohran Mamdani) সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) শুক্রবার ওভাল অফিসে বৈঠকে বসবেন। এটি হবে মেয়র হিসেবে মামদানির প্রথম প্রতক্ষ বৈঠক এবং শহর ও দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। ট্রাম্প নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে জানান, “নিউ ইয়র্ক সিটির কমিউনিস্ট মেয়র জোহরান মামদানি বৈঠক করতে চেয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, শুক্রবার বৈঠক হবে। অন্যান্য তথ্য পরে জানানো হবে।”
আরও পড়ুন: Nitish Kumar: গান্ধী ময়দানে নীতীশ কুমারের শপথ, ডেপুটি হিসেবে সম্রাট চৌধুরী-বিজয় সিনহা
নির্বাচনের আগে ট্রাম্প (Donald Trump) বারবার মামদানির নীতি ও পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। তিনি নির্বাচনী প্রচারের সময়ে শহরের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছেন, মামদানির জয় “নিউ ইয়র্কের জন্য সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয়” হতে পারে। ট্রাম্পের (Donald Trump) উদ্বেগ ছিল, মামদানির শাসনের সময় নিউ ইয়র্ক কমিউনিস্ট হওয়ার ফলে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও জীবিকার সমস্যা তৈরি হতে পারে। নির্বাচনের পরও তিনি মন্তব্য করেছেন, “আমেরিকা কিছুটা সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে। আমি বহু বছর ধরেই সতর্ক করে আসছি যে বিরোধীরা দেশকে কমিউনিস্ট কিউবা বা সমাজতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলার মতো পরিস্থিতিতে নিয়ে যেতে চাইছে।”
অন্যদিকে, জয়ী হিসেবে উদযাপন করতে গিয়ে জোহরান মামদানি ট্রাম্পকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, “ট্রাম্প, আমি জানি আপনি আমার কথা শুনছেন। আমি আপনাকে চারটি শব্দ বলব: আরও জোরে চিৎকার করুন। নিউ ইয়র্ক শহরই দেখাবে কীভাবে নেতৃত্ব এবং পরিবর্তন সম্ভব।” মামদানি ঘোষণা করেছেন, দুর্নীতির অবসান ঘটানো এবং শহরের সাধারণ মানুষকে সস্তা খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের সুবিধা নিশ্চিত করা তার মূল অঙ্গীকার।
১ জানুয়ারি নবনির্বাচিত মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন মামদানি। তিনিই নিউ ইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম এবং সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহভরে দেখছেন, দুই প্রান্তিক রাজনৈতিক নেতার মধ্যে বৈঠক কি সম্পর্কের শৈত্য কাটিয়ে সমন্বয় সৃষ্টি করবে, নাকি কেন্দ্রীয় অনুদান বন্ধের হুমকি বাস্তবায়িত হবে। শুক্রবারের এই বৈঠককে ঘিরে নিউ ইয়র্কের রাজনৈতিক পরিসর এখন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
