Mobile Network: স্পেকট্রাম দখলে টেলিকম সংস্থার সঙ্গে মুখোমুখি অ্যাপল–মেটা! শেষ পর্যন্ত জিতবে কে?

প্রযুক্তি

নিউজ পোল ব্যুরো: মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিকাঠামোকে কেন্দ্র করে ফের শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপ্‌ল, অ্যামাজন, ক্যাসি, মেটা ও ইনটেলের মতো সংস্থাগুলির সঙ্গে ভারতের শীর্ষ টেলিকম কোম্পানিগুলির বিরোধ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই জট খোলা কঠিন হবে।

আরও পড়ুন:JEE Main 2026: নতুন বছর পড়লেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স, কোন কৌশলে পড়লে মিলবে সাফল্য! কী বলছেন শিক্ষাবিদরা?

বর্তমানে জিয়ো, ভোডাফোন আইডিয়া (Vi) এবং এয়ারটেল , এই তিন প্রধান ভারতীয় টেলিকম অপারেটর একজোট হয়ে ৬ গিগাহার্ৎজ নেটওয়ার্ক ব্যান্ডটি নিজেদের ব্যবহারের জন্য দাবি জানাচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, ভবিষ্যতে ভারতের বাজারে 6G network চালু হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। যখন সেই উচ্চগতির প্রযুক্তি কার্যকর হবে, তখন গ্রাহকদের মধ্যে তার চাহিদা থাকবে বিপুল। তাই ভবিষ্যতের চাহিদা ও প্রযুক্তিগত উন্নতির কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই এই মূল্যবান স্পেকট্রাম ব্যবহার করতে চায় দেশীয় অপারেটররা।অন্যদিকে, মার্কিন টেক জায়ান্টগুলির যুক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের দাবি, 6 GHz spectrum যদি টেলিকম কোম্পানিগুলিকে বরাদ্দ করা হয়, তবে WiFi services-এর ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হবে। দ্রুতগতির ইন্টারনেট পরিষেবা, স্মার্ট হোম ডিভাইস, আইওটি গ্যাজেট (IoT devices) থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের টেক প্ল্যাটফর্ম, এ সকলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত উন্নতমানের ওয়াইফাই পরিষেবা। তাই এই ব্যান্ডটি সম্পূর্ণভাবে unlicensed WiFi use-এর জন্যই খোলা রাখা উচিত বলে দাবি করছে তারা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

ভারতীয় সংস্থাগুলির মত, ব্রডব্যান্ড পরিষেবার উন্নতি যেমন প্রয়োজন, তেমনই দেশের টেলিকম ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজন licensed spectrum। তাদের বক্তব্য, যদি বিদেশি টেক জায়ান্টদের কথায় সরকার এই ব্যান্ডটিকে কেবল ওয়াইফাইয়ের জন্যই বরাদ্দ করে, তাহলে ভারত 6G deployment-এ পিছিয়ে পড়তে পারে এবং ভবিষ্যতের ডিজিটাল পরিকাঠামো গড়ে তোলা কঠিন হয়ে যাবে। বিরোধ উভয় পক্ষেরই শক্তিশালী যুক্তি রয়েছে, এবং অর্থনৈতিক স্বার্থও জড়িত। তাই এই স্পেকট্রাম বিতর্কে শেষ পর্যন্ত কারা জয়ী হবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে সরকারের নীতিনির্ধারণ ও টেলিকম নীতি (telecom regulation)-র উপর। আপাতত industry observers-রা নজর রাখছেন কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকে, যা ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যৎকেই অনেকটা নির্ধারণ করে দেবে।