Guava Benefits : পেয়ারা খোসা-সহ না খোসা ছাড়িয়ে? জেনে নিন স্বাস্থ্যসম্মত উপায় ও পুষ্টিগুণ

লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: পেয়ারা (Guava) হলো এক ধরনের সুস্বাদু এবং পুষ্টিতে ভরপুর ফল, যা শরীরের জন্য অসংখ্য উপকারিতা বহন করে। এটি শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity Boost) বাড়ায় না, বরং হজম (Digestion), কোষ্ঠকাঠিন্য কমানো, পেটের স্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং ত্বকে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনার জন্যও কার্যকর। ১০০ গ্রাম পেয়ারায় মাত্র ৬৮ ক্যালোরি (Calories) থাকে, সঙ্গে ১৪.৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrates), ২.৫৫ গ্রাম প্রোটিন (Protein), ৫.৪ গ্রাম ডায়েটরি ফাইবার (Dietary Fiber) এবং ২২৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি (Vitamin C)। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন এ (Vitamin A), ফোলেট (Folate), পটাশিয়াম (Potassium) এবং ম্যাগনেশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ।

আরও পড়ুন : India Post Holiday Delivery : রবিবার থেকে কলকাতায় ‘হলিডে ডেলিভারি’, ছুটির দিনেও পৌঁছাবে চিঠি ও পার্সেল

তবে একটি সাধারণ প্রশ্ন এখনও অনেকের মনে থাকে—পেয়ারা খোসা-সহ (With Skin) খাওয়া উচিত নাকি খোসা ছাড়িয়ে (Peeled) খাওয়া ভালো?(Guava Benefits) পুষ্টিবিদদের মতে, পেয়ারার খোসা অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর। খোসা-সহ খেলে শরীর আরও বেশি পুষ্টি পায়, যা হজমকে সহজ করে, পেট পরিষ্কার রাখে এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তৃপ্তি বজায় রাখে। মুম্বইয়ের পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন বলেন, “খোসার মধ্যে পটাশিয়াম, জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি বেশি থাকে, যা ত্বকের স্বাস্থ্য ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।” তবে সব মানুষের জন্য খোসা-সহ পেয়ারা খাওয়া নিরাপদ নয়। বিশেষ করে যারা ডায়াবিটিস (Diabetes) বা উচ্চ কোলেস্টেরল (High Cholesterol) সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াই ভালো হতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, খোসা-সহ পেয়ারা খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে পারে (Guava Benefits)। সেক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে পেয়ারা খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যকর।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

যেকোনো পরিস্থিতিতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পেয়ারা খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া (Guava Benefits)। কারণ খোসার উপর মাটি, ধুলো বা কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকতে পারে, যা পরিষ্কার না করলে উপকারের বদলে ক্ষতি করতে পারে (Guava Benefits)। তবে পেয়ারা খোসা-সহ খাওয়া বেশিরভাগ মানুষের জন্য উপকারী, তবে নিজের স্বাস্থ্যের অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন।