নিউজ পোল ব্যুরো:হাবড়া হাসপাতালে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দলীয় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং জনমুখী উন্নয়নের স্পষ্ট বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick statement)। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন, পার্টির জন্য কোনও ব্যবসায়ী বা বাইরের উৎস থেকে চাঁদা নেওয়া যাবে না। দলের কর্মীদের নিজেদের পকেট থেকেই দলীয় চাঁদা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কোনও ব্যবসায়ীর কাছে হাত পাতার সুযোগ নেই।” তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/02/01/abhishek-banerjee-criticizes-union-budget-2026-bengal-neglect/
বক্তৃতায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick statement) আরও ইঙ্গিত দেন যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে হাবড়া কেন্দ্রে তিনি নিজে প্রার্থী না-ও হতে পারেন। তবে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এবং স্থানীয় মানুষের চাহিদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ব্যাপারে দল যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তা তিনি স্পষ্ট করেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তি নয়—উন্নয়নই এখানে মূল বিষয়।
হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি জানান, ২০১০ সালে বামফ্রন্ট আমলে হাবড়া হাসপাতালের যে পরিসর ছিল, বর্তমানে তার তুলনায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। হাসপাতালের জন্য আইসিইউ তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক লেবার রুম তৈরি করা হবে, যেখানে একসঙ্গে পাঁচটি প্রসবের ব্যবস্থা থাকবে। রোগী ও পরিজনদের নিরাপত্তা জোরদার করতে হাসপাতাল চত্বরে ২০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবা নয়, শহরের সামগ্রিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন বিধায়ক। হাবড়া শহরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ, রাস্তাঘাটের আধুনিকায়ন এবং ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে নতুন বস্ত্র হাট নির্মাণের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। বর্তমানে যাঁরা রাস্তার ধারে বসে ব্যবসা করছেন, তাঁদের নতুন হাটে স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
হাবড়ার মানুষের মনোভাব নিয়ে আশাবাদী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, এলাকার মানুষ শান্তি ও উন্নয়ন চায়। সেই কারণেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীই বিপুল ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁর কথায়, “হাবড়ার মানুষ উন্নয়নের প্রতি অটল, শান্তির প্রতি নিবেদিত।”
