নিউজ পোল ব্যুরো: ২০১১ সাল থেকে ২০২৫—এই দীর্ঘ ১৪ বছরে যত সংখ্যক আধার কার্ড (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় করা হয়েছিল, তার প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যক আধার কার্ড (Aadhaar Card) বাতিল হয়েছে শুধুমাত্র গত ছয় মাসে। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। তবে সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই, কারণ মূলত মৃত ব্যক্তিদের আধার নম্বরই নিষ্ক্রিয় বা বাতিল করা হচ্ছে।
দেশে বহুদিন ধরেই এমন বহু আধার নম্বর সক্রিয় ছিল, যাদের প্রকৃত মালিক আর জীবিত নন। ভুয়ো পরিচয়পত্রের সমস্যার তুলনায় মৃত ব্যক্তিদের আধার নিষ্ক্রিয় না হওয়াই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এক তথ্য জানার অধিকার আইনের আবেদনের জবাবে গত বছর UIDAI জানিয়েছিল, ২০১১ সালের পর থেকে মাত্র ১.১৫ কোটি আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অথচ একই সময়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা তার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে স্পষ্ট হয়, মৃত্যুহারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধার নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছিল না। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেয় UIDAI। মৃত ব্যক্তিদের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া জোরদার করা হয় (Aadhaar Card)। সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, গত ছয় মাসে প্রায় আড়াই কোটি মৃত মানুষের আধার নম্বর বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের গাফিলতি কাটিয়ে এখন দ্রুত কাজ এগোচ্ছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর সক্রিয় থাকলে তার অপব্যবহারের সম্ভাবনা থেকে যায় (Aadhaar Card)। যদিও আধার সরাসরি নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তবু সরকারি ভর্তুকি, ব্যাংকিং পরিষেবা, সিম কার্ড, সরকারি নথিপত্র—সব ক্ষেত্রেই আধারের ব্যবহার রয়েছে। ফলে নিষ্ক্রিয় না হওয়া আধার নম্বর জালিয়াতির পথ খুলে দিতে পারে। সেই কারণেই মৃত ব্যক্তিদের আধার তথ্য দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা এখন প্রশাসনের অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে, যাতে সরকারি পরিষেবার স্বচ্ছতা বজায় থাকে এবং পরিচয়ভিত্তিক প্রতারণার ঝুঁকি কমে (Aadhaar Card)।
