Kalna Panchayat Pradhan:ভোটার তালিকায় ‘ব্রাত্য’ কালনার প্রধান, নাগরিকত্ব বিতর্কে তীব্র চাঞ্চল্য!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:পূর্ব বর্ধমানের কালনায় হাটকালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান (Kalna Panchayat Pradhan) শ্রাবন্তী মণ্ডলকে ঘিরে নাগরিকত্ব বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল, তাঁর নামের পাশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে ‘ডিলিটেড’। আর সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/03/01/district-council-member-mohammad-arman-name-missing-voter-list-salanpur/#like-55476

শনিবার প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা সামনে আসতেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল, শ্রাবন্তী মণ্ডল আসলে বাংলাদেশি নাগরিক এবং তিনি অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন মহলে সরব হয়েছিল গেরুয়া শিবির। এবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে নিজেদের দাবির ‘সত্যতা’ হিসেবে তুলে ধরছে তারা।

ঘটনার পর প্রধানের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য তাঁর বাড়িতে পৌঁছন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। তবে সেই সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন না। পরে রাস্তায় দেখা মিললেও সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি। অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে মুখ না খুলে উল্টে ছবি তুলতে বাধা দেন এবং সাংবাদিকদের ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হয়ে উঠলে দ্রুত একটি টোটো চেপে এলাকা ছাড়েন তিনি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

উল্লেখ্য, এর আগে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন কালনায় হাটকালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান (Kalna Panchayat Pradhan) শ্রাবন্তী মণ্ডল। তাঁর দাবি ছিল, যারা তাঁকে বাংলাদেশি বলছেন, তাদের আগে নিজেদের ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। কিন্তু ভোটার তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় সেই দাবি এখন প্রশ্নের মুখে।

বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুমন ঘোষ বলেন, “আমরা শুরু থেকেই বলেছিলাম উনি বাংলাদেশি। বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের তালিকাই প্রমাণ করে দিল আমাদের অভিযোগ সঠিক।” একইসঙ্গে, শ্রাবন্তী মণ্ডলের প্রধানের পদ খারিজের দাবিতে শীঘ্রই প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত শ্রাবন্তী মণ্ডলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। প্রশাসনের তরফেও বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। সব মিলিয়ে, কালনার এই পঞ্চায়েত প্রধানকে ঘিরে নাগরিকত্ব ইস্যু এখন পূর্ব বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে বড়সড় বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।