নিউজ পোল ব্যুরো: চৈত্রের মাঝামাঝি সময়েই রাজ্যের আবহাওয়ায় বড়সড় বদলের ইঙ্গিত মিলছে (Weather Update)। গত কয়েকদিন ধরেই ভরা বসন্তে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে ভিজেছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা, এমনকি শহর কলকাতাতেও দেখা গিয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত (Kolkata Weather Update)। এই পরিস্থিতি আরও জোরদার হতে চলেছে সপ্তাহান্তে (Weather Update)। শুক্রবার মধ্যরাতে পূর্বাভাস ভেঙে কলকাতায় বৃষ্টি নামে, সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়া (Weather Update)। শনিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে (Weather Update)। কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা হাওয়া বইতে পারে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে (Kolkata Weather Update)।
অন্যদিকে বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশে ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। এই সব জেলায় বজ্রপাতের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে, যা ফসল ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে (Weather Update)। রবিবারও আবহাওয়ার খুব একটা উন্নতি হবে না। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টিপাত হতে পারে (Weather Update)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়াও বেশ অস্থির (North Bengal Weather Update)। শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারেও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে (Weather Update)। একই সঙ্গে দার্জিলিং, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শনিবার উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। রবিবারও উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বজায় থাকবে (North Bengal Weather Update)। আবহাওয়া দফতরের (IMD) মতে, একাধিক ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে সমুদ্রের অবস্থাও অশান্ত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শনিবার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে চৈত্রের খরদাহের বদলে রাজ্যে এখন ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর দাপটই প্রধান হয়ে উঠছে (Weather Update)।
