নিউজ পোল ব্যুরো: প্রথমবার নির্বাচনের ময়দানে নামতেই বড় ধাক্কা খেলেন রাজন্যা হালদার (Rajanya Halder)। সোনারপুর দক্ষিণের পাশাপাশি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষপর্যন্ত আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রের জন্য জমা দেওয়া তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেওয়া হয়েছে (Election Nomination Rejected)। জেলা নির্বাচন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি বা যাচাইয়ের সময় বেশ কিছু ত্রুটি ধরা পড়ে রাজন্যার কাগজপত্রে (Rajanya Halder)। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। যদিও ঠিক কী ধরনের ত্রুটি ছিল, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
শুধু রাজন্যা হালদারই (Rajanya Halder) নন, একইসঙ্গে আরও কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল হয়েছে বলে খবর। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমান জেলার মোট ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৯৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। সেই সমস্ত মনোনয়ন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার পর মোট ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রেই বাতিল হয়েছে চারটি মনোনয়ন। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন ইমরান খান (আম জনতা উন্নয়ন পার্টি), সুনীল চন্দ্র চৌরাশিয়া (নির্দল) এবং দীপিকা বাউরি (নির্দল)। উল্লেখ্য, রাজন্যা হালদার (Rajanya Halder) খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাজনীতির অঙ্গনে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে তার তীক্ষ্ণ বক্তব্য নজর কেড়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তাকে বিভিন্ন দায়িত্বও দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে আর জি কর সংক্রান্ত একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি তৈরি করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেই ঘটনার পরই দল থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
রাজনীতির ময়দান থেকে কিছুটা আড়ালে চলে গেলেও বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের মত প্রকাশ করে আলোচনায় থাকার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন রাজন্যা। এমনকি একসময় তার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনাও তৈরি হয়েছিল। যদিও শেষপর্যন্ত তিনি নিজেই আলাদা ভাবে রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার সিদ্ধান্ত নেন এবং নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা করেন। তবে প্রথম নির্বাচনী লড়াইতেই মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন রাজন্যা হালদার (Rajanya Halder)। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।
