নিউজ পোল ব্যুরো: ভোটের হাতে গোনা আর দু’দিন বাকি। তার আগে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে (WB Election 2026), তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) অন্তত ৮০০ কর্মীকে গ্রেফতারের আশঙ্কা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই ইস্যুতে সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে শাসকদল, যা রাজ্যের রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে (WB Election 2026)। সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) এই সংক্রান্ত মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। আদালত মামলার অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত শুনানির আবেদনও গ্রহণ করেছে। জানা যাচ্ছে, আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে (WB Election 2026)।
এর আগে, গত ১২ এপ্রিল পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে এক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় কারচুপির চেষ্টা হতে পারে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘স্লো ভোটিং এবং স্লো কাউন্টিংয়ের মাধ্যমে প্রথমে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’ পাশাপাশি, তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, মধ্যরাত থেকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি অভিযান চালানোর ছক কষা হচ্ছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তৃণমূলের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (WB Election 2026)। দলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) আদালতে দাবি করেন, জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৮০০ তৃণমূল কর্মীর একটি তালিকা তৈরি করেছে। তাদের গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় (WB Election 2026)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের কাছে আবেদন জানান, এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আদালত বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে মামলার অনুমতি দেয় এবং দ্রুত শুনানির পথ খুলে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শাসকদল যেখানে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, সেখানে বিরোধী শিবিরের প্রতিক্রিয়াও নজরে রাখার মতো। এখন দেখার, আদালতের রায় এই বিতর্কে কী প্রভাব ফেলে।
