নিউজ পোল ব্যুরো:আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই স্পষ্ট হয়ে যাবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য পশ্চিমবঙ্গ-এর শাসনভার কার হাতে যাচ্ছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মূল লড়াই আবর্তিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি-র মধ্যে। রাজ্যে কি রাজনৈতিক পালাবদল আসছে, নাকি ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল— তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ফল ঘোষণার আগে শেষ মুহূর্তে সতর্কতায় কোনও খামতি রাখতে নারাজ দুই শিবিরই। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা থেকে গণনাকেন্দ্রের খুঁটিনাটি— সব দিকেই কড়া নজর রাখা হচ্ছে। রবিবার দুপুর থেকেই ফিরহাদ হাকিম-কে (Firhad Hakim) দেখা যায় ভবানীপুর সংলগ্ন একাধিক স্ট্রং রুমে পরিদর্শনে। সাখাওয়াত মেমোরিয়াল, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুল এবং ডেভিড হেয়ার ট্রেনিং কলেজ-এ গিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন তিনি।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/05/03/falta-repoll-dilip-ghosh-allegations-voter-card-snatched-tmc/
ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) জানান, স্ট্রং রুমের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি না থাকলেও বাইরে থেকে সিসিটিভি ফুটেজের ওপর কড়া নজর রাখা হ
চ্ছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল কর্মীরা দিনরাত মনিটরিং করছেন এবং এখনও পর্যন্ত সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে।
চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। তাঁর কথায়, “কোনও দুশ্চিন্তা নেই, আগের চেয়েও বেশি আসন নিয়ে আমরা ফিরছি।” পাশাপাশি তিনি বলেন, যারা সারা বছর মানুষের পাশে থেকেছে, তাদের ফলের দিন আলাদা করে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক://youtube.com/@thenewspole
এদিকে দলের অন্দরেও তৎপরতা তুঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি কাউন্টিং এজেন্টদের একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন। গণনাকেন্দ্রে সময়মতো উপস্থিত থাকা, ইভিএমের ব্যাটারির চার্জ পরীক্ষা করা থেকে শুরু করে পোস্টাল ব্যালটের গুরুত্ব— সব বিষয়েই সতর্ক করা হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে পুনর্গণনার দাবি জানাতে হবে। পাশাপাশি, চূড়ান্ত ফল বা জয়ের শংসাপত্র না পাওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র না ছাড়েন— সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ফল ঘোষণার আগে টানটান উত্তেজনা এবং স্নায়ুর লড়াইয়ে ফুটছে বঙ্গ রাজনীতি। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা— কার হাতে উঠবে ক্ষমতার চাবিকাঠি।
