নিউজপোল ব্যুরো: বিভূতিভূষণের লেখনীতে বন্দিত বসিরহাটের বিখ্যাত কাঁচাগোল্লায় এবার সংকটের ছায়া। চিনির জোগান কমে যাওয়ায় ধাক্কা খেয়েছে উৎপাদন। একইসঙ্গে বেড়েছে দাম। ফলে একদিকে যেমন সমস্যায় পড়েছেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা, অন্যদিকে বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
অবিভক্ত বাংলার সময় থেকেই বসিরহাটের কাঁচাগোল্লার সুখ্যাতি। রাজ্য ছাড়িয়ে ভিনরাজ্যেও রয়েছে এর চাহিদা। ব্যবসায়ীদের দাবি, ১০ কেজি ছানা দিয়ে কাঁচাগোল্লা তৈরি করতে প্রায় ৪ কেজি চিনি লাগে। শীতের সময় নলেন গুড়ের ব্যবহার হলেও সেখানেও চিনির প্রয়োজন হয়।
আরও দেখুন :-ফের কলকাতায় ভয়াবহ আগুন, চিৎপুরের রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড
মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আগে একটি দোকানে প্রতিদিন প্রায় ৬০ কেজি কাঁচাগোল্লা তৈরি হতো। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ কেজিতে। কোথাও আবার ৫০-৬০ কেজি থেকে উৎপাদন নেমে এসেছে ২০-২৫ কেজিতে।
চিনির জোগান কমার পাশাপাশি বেড়েছে উৎপাদন খরচ। তার প্রভাব পড়েছে কাঁচাগোল্লার দামে। আগে কেজি প্রতি ২৫০ টাকা থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩০০ টাকা। দাম বাড়ায় কমেছে বিক্রিও।
ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বসিরহাটের ঐতিহ্যবাহী কাঁচাগোল্লার ব্যবসায় আরও বড় ধাক্কা আসতে পারে।
