নিউজপোল ব্যুরো: আকাশে ওড়ার সময় নয়, বিপদ নামল মাটিতে নামার পরেই। বিমানবন্দরের রানওয়েতে ঠিকমতো থামতে না পেরে সোজা পাশের রাস্তায় উঠে গেল একটি কার্গো বিমান। তারপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একের পর এক গাড়িতে ধাক্কা। মুহূর্তের মধ্যে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ল আতঙ্ক। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় আমেরিকার মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রাণ গেল অন্তত ৫ জনের। আহত আরও ৫ জন। তাঁদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
রবিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টো নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। পুয়ের্তো রিকোর সান জুয়ান থেকে মিয়ামির উদ্দেশে উড়েছিল অ্যামাজনের প্রাইম এয়ারের একটি বোয়িং কার্গো বিমান। বিমানটি মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরই ঘটে বিপত্তি। কোনও কারণে রানওয়ের নির্ধারিত অংশে থামতে না পেরে বিমানটি উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যায়। এরপর বিমানবন্দরের বাইরের একটি সার্ভিস লেনও পেরিয়ে যায় সেটি।
এর পরেই পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। রাস্তার উপর থাকা একাধিক গাড়িকে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা মারে বিমানটি। সংঘর্ষের পরই কার্গো বিমানে আগুন ধরে যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় দুর্ঘটনাস্থল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলকর্মী, পুলিশ এবং জরুরি পরিষেবার কর্মীরা। প্রায় ২০০ জন দমকলকর্মী এবং প্রায় ৬০টি দমকলের গাড়ি উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে নামে।
দুর্ঘটনার ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নীল-সাদা রঙের বিমানটি রানওয়ে থেকে বেরিয়ে পাশের রাস্তায় উঠে পড়ছে। এরপর একের পর এক গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ এবং আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। দুর্ঘটনার পর আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর অ্যামাজনের তরফেও বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের একটি বোয়িং কার্গো বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। তবে সেই বিবৃতিতে হতাহতদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। ঠিক কী কারণে অবতরণের সময় বিমানটি রানওয়ে ছেড়ে বেরিয়ে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিক ভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিমানটির যান্ত্রিক সমস্যা, অবতরণের স
