কেউ ২০০৭, কেউ ২০২২-এ পেয়েছিলেন লাইসেন্স! জাল নথির প্রমাণ মিলতেই বড় পদক্ষেপ

breakingnews জেলা রাজনীতি রাজ্য স্বাস্থ্য

নিউজপোল ব্যুরো: বছরের পর বছর চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার পর সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। চিকিৎসক হিসেবে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলে নথিভুক্ত পাঁচজনের শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র ভুয়ো বলে প্রমাণ মিলেছে। এরপরই তাঁদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, এই পাঁচজনের মধ্যে কয়েকজন ২০০৭ ও ২০০৮ সালে চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন পেয়েছিলেন। অন্যদের রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল ২০১৭, ২০১৮ এবং ২০২২ সালে। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা করার পর তাঁদের নথি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলে অভিযোগও জমা পড়ে। কয়েকজন চিকিৎসকের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমের তরফেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল।

আরও দেখুন:-মনে বিরাট শূন্যতা’, তবু লড়াইয়ে দৃঢ় হাসিরানি

এরপরই সংশ্লিষ্ট নথিগুলির সত্যতা যাচাই করতে বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিলের কাছে জানতে চায় রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। গতকাল সেই চিঠির উত্তর আসে। সেখানে জানানো হয়, শেখ ইউনুস হাসান, উত্তম মাইতি, হাফিজুল হালদার, জুলফিকার মণ্ডল এবং সইদুল হকের নথির কোনও বৈধতা নেই।

বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিলের এই রিপোর্ট হাতে আসার পরই পাঁচজনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়। ঘটনাকে ঘিরে এখন প্রশ্ন উঠছে, এত বছর ধরে যাচাই প্রক্রিয়ায় এই জালিয়াতি কীভাবে ধরা পড়ল না।