পুজোর আগেই রাস্তায় নামছে আরও ৯০ বাস! উত্তরবঙ্গের জন্য ৩০টি নতুন বাসের ঘোষণা, শিলিগুড়ি সফরে পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং

breakingnews কলকাতা প্রযুক্তি রাজ্য শহর

নিউজপোল ব্যুরো: পুজোর মরসুমে যাত্রী পরিষেবায় বাড়তি গতি আনতে আরও বাস রাস্তায় নামানোর ঘোষণা করলেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং। শুক্রবার একদিনের শিলিগুড়ি সফরে এসে তিনি জানান, পুজোর আগেই রাজ্য পরিবহন ব্যবস্থায় আরও ৯০টি বাস যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পুজোর মধ্যেই উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার হাতে ৩০টি বাস তুলে দেওয়ার কথাও জানান তিনি। গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই বাসগুলি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

কলকাতা থেকে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামার পর সড়কপথে ফাঁসিদেওয়ার কমলা চা-বাগানে যান অর্জুন সিং। সেখানে চা-বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি হাসপাতালও পরিদর্শন করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন অর্থ ও পরিবহণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন। চা-বাগানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে স্থানীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা।পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরিবহণ পরিষেবা নিয়ে একাধিক তথ্য দেন মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গত চার মাসে ৫০টি বাস ইতিমধ্যেই রাস্তায় নামানো হয়েছে। তবে টেন্ডার সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কারণে নতুন বাস নামানোর কাজে সময় লাগছে বলেও জানান তিনি। সেই সমস্যা মিটিয়ে পুজোর আগেই আরও ৯০টি বাস চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ রুটে বাসের প্রয়োজন বেশি, সেই অনুযায়ী পরিষেবা সাজানো হবে বলে জানান মন্ত্রী।

উত্তরবঙ্গের পরিবহণ ব্যবস্থার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। পুজোর মধ্যেই উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থাকে ৩০টি বাস দেওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্জুন সিং। উৎসবের সময়ে উত্তরবঙ্গে যাত্রী চাপ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই পরিস্থিতিতে নতুন বাসগুলি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে কাজে লাগানো হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিনের সফরে পরিবহণের পাশাপাশি চা-বাগান নিয়েও বিস্তারিত কথা বলেন মন্ত্রী। শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি রিভিউ মিটিং করার কথা রয়েছে তাঁর। চা-বাগানগুলির বিভিন্ন সমস্যা, বন্ধ বাগান পুনরায় চালু করা, শ্রমিকদের পরিষেবা এবং পরিকাঠামো—সব বিষয় নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা।

অর্জুন সিং বলেন, চা-বাগান সংক্রান্ত সমস্যাগুলি আলাদা আলাদা দফতরের মধ্যে না রেখে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। বন্ধ চা-বাগান খোলার বিষয়েও নতুন করে পরিকল্পনা তৈরির কথা জানান তিনি। পাশাপাশি চা-বাগানের সমস্ত ক্রেশ হাউস খোলার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী।