Plane hijack update : ১৮০ যাত্রী নিয়ে আকাশে ভয়াবহ আতঙ্ক, হাইজ্যাক সংকেত পেয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ, বিমানে আসলে কী ঘটেছিল?

breakingnews Tren vinal অপরাধ আন্তর্জাতিক

নিউজপোল ব্যুরো: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে মাঝ আকাশে একটি যাত্রীবাহী বিমান থেকে হাইজ্যাক অ্যালার্ট যেতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল Flydubai-র FZ1073 বিমানটি। উড়ানের সময় প্রথমে সাধারণ জরুরি সংকেত 7700 পাঠানো হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ATC-এর কাছে 7500 কোড পৌঁছয়, যা সাধারণত হাইজ্যাক বা বেআইনি হস্তক্ষেপের পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়। ফলে বিমানটি ঘিরে বড়সড় নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়।

এরপর নির্ধারিত গন্তব্য তেল আভিভের বদলে বিমানটি সৌদি আরবের দিকে ঘুরে যায়। শেষ পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম সৌদির তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে FZ1073। প্রথমদিকে পরিস্থিতি দেখে বিমান অপহরণের আশঙ্কা তৈরি হলেও পরে সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া হয়। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষও জানায়, এটি হাইজ্যাকিংয়ের ঘটনা নয়। তদন্তে প্রাথমিকভাবে যে তথ্য সামনে এসেছে, তাতে বিমানের ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে শারীরিক বিবাদ শুরু হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে জরুরি সংকেত পাঠানো হয়। সেই সংকেতের কারণেই বিমানটি হাইজ্যাক হয়েছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ঠিক কী কারণে দুই পাইলটের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

ঘটনার সময় বিমানটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরবে অবতরণের পর যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। Flydubai-ও জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের মধ্যে এই ধরনের জরুরি সংকেত স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ তৈরি করে। তবে এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি সন্ত্রাসবাদী হামলা বা বিমান অপহরণের ঘটনা নয়; বরং ককপিটে দুই পাইলটের বিবাদ থেকেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।