নিউজপোল ব্যুরো: ঢাকের বোল থেমে আসে, বিষাদের সুরে বিদায় নেন উমা। কিন্তু বিজয়া দশমী শুধু দেবী দুর্গার বিসর্জনের দিন নয়, এই তিথির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক পৌরাণিক কাহিনি এবং অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়ের বার্তা।
হিন্দু পুরাণ অনুসারে, মহিষাসুরের অত্যাচারে যখন স্বর্গ ও মর্ত্য বিপর্যস্ত, তখন দেবতাদের সম্মিলিত শক্তি থেকে আবির্ভূত হন দেবী দুর্গা। টানা নয় দিন যুদ্ধের পর আশ্বিন মাসের শুক্লা দশমীতে তিনি মহিষাসুরকে বধ করেন। সেই বিজয়ের স্মরণেই পালিত হয় বিজয়া দশমী।
আবার রামায়ণের কাহিনিতেও এই দিনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী দুর্গার আশীর্বাদ নিয়ে রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করেন শ্রীরামচন্দ্র। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয় হিসেবেও এই দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ।
মহাভারতের কাহিনিতেও আশ্বিন মাসের শুক্লা দশমীর উল্লেখ পাওয়া যায়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই তিথিতে পাণ্ডবরা শমীগাছের কাছে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন।
তাই বিজয়া দশমী শুধুই উৎসবের সমাপ্তি নয়। পৌরাণিক কাহিনিগুলির মধ্য দিয়ে এই দিন মনে করিয়ে দেয়, অশুভ যত শক্তিশালীই হোক, শেষ পর্যন্ত শুভের জয়ই কাম্য।
